চট্টগ্রামের সাতকানিয়া ও বাঁশখালীর বন্যা পরিস্থিতি টানা বর্ষণের কারণে আরও অবনতি ঘটেছে। লাখো মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন, বিশেষ করে বাঁশখালির চাম্বল, ছনুয়া ও গণ্ডামারা ইউনিয়নগুলোতে।
বন্যার ফলে ঘরবাড়ি ভেঙে গেছে এবং ফসলি জমি ডুবে গেছে। চাষের মাছও ভেসে গেছে। গত শনিবার রাতে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমলেও রবিবার (১২ জুলাই) সকাল থেকে আবারও ভারী বর্ষণ শুরু হয়েছে, যা দুর্গত এলাকার মানুষের দুশ্চিন্তা বাড়িয়েছে।
বৃষ্টির সাথে ঢলের পানি এবং জোয়ারের পানির কারণে অনেকেই ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাচ্ছেন। এর ফলে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি সেনাবাহিনীও পরিস্থিতি মোকাবেলায় তৎপর রয়েছে।
এক সপ্তাহের ভারি বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিন পার্বত্য জেলা ও কক্সবাজারের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বন্যা ও পাহাড় ধসে প্রাণহানির পাশাপাশি যোগাযোগ ব্যবস্থাও ভেঙে পড়েছে।
দুর্গত এলাকার বাসিন্দারা খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। আজ সকাল থেকে থেমে থেমে বৃষ্টি হলেও নদীর পানি কিছুটা কমে এখনও বিপদসীমার ২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বান্দরবানে সাঙ্গু, মাতামুহুরী ও বাঁকখালি নদীর পানি উপচে জেলার বেশিরভাগ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও বিজিবির সহায়তায় ত্রাণ বিতরণ চললেও বৈরী আবহাওয়ার কারণে কিছু দুর্গম এলাকায় এখনও সহায়তা পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।