কাতারের প্রাক্তন আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির মৃত্যু ঘোষণা করেছে কাতার সরকার। তিনি ১৯৯৫ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত দেশটির শাসন করেছেন। আমিরি দিওয়ান এক বিবৃতিতে জানান, "আল্লাহর বিধান ও ভাগ্যের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস রেখে, আমিরি দিওয়ান দেশের জন্য এই মহান ক্ষতির শোক প্রকাশ করছে।" শেখ হামাদ আধুনিক কাতারের অন্যতম প্রধান স্থপতি হিসেবে পরিচিত। তার শাসনকালে দেশটি দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও বৈশ্বিক সম্প্রসারণের সাক্ষী হয়েছে।
শেখ হামাদের মৃত্যুর পর বিশ্বজুড়ে নেতারা শোক প্রকাশ করেছেন এবং তার উত্তরাধিকারকে সম্মান জানিয়েছেন। মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি কাতারের নেতাদের এবং জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, "আমরা আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি তিনি তাকে ব্যাপক দয়ায় ঢেকে রাখুন এবং কাতার ও তার জনগণের জন্য নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখুন।"
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শেখ হামাদকে একজন "দূরদর্শী নেতা" হিসেবে উল্লেখ করেছেন, যিনি কাতারকে উন্নতির উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। তিনি কাতারে তার সফরের সময় শেখ হামাদের সাথে সাক্ষাৎ করার কথা স্মরণ করেন।
জর্ডানের রাজা আবদুল্লাহ দ্বিতীয়ও শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, "আমরা আমার ভাই শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।"
লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালাম শেখ হামাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, "তিনি লেবাননের সংকটের সময় দীর্ঘকাল ধরে সমর্থন দিয়েছেন।"
লিবিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবদুল হামিদ দবেইবা কাতারের নেতাদের এবং জনগণের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, "আমরা শেখ হামাদের মৃত্যুতে গভীর দুঃখ প্রকাশ করছি।"
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনওয়ার ইব্রাহিম শেখ হামাদকে একটি বৈশ্বিক গুরুত্বপূর্ণ দেশে পরিণত করার জন্য প্রশংসা করেছেন। পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি তার মৃত্যুতে "গভীর দুঃখ" প্রকাশ করেছেন।