আজ রাতে নিউজার্সিতে অনুষ্ঠিত হবে ব্রাজিল ও নরওয়ের মধ্যে শেষ ষোলোর একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। এটি বিশ্বকাপে ব্রাজিলের হেক্সা মিশনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত, যেখানে তাদের মুখোমুখি হতে হবে নরওয়ের ‘ভাইকিংস উদযাপন’ এর সাথে।
ব্রাজিলের জন্য এই ম্যাচটি শুধুমাত্র প্রতিপক্ষ নরওয়ে নয়, বরং ‘ইউরোপিয়ান ভূত’ নামক একটি চ্যালেঞ্জও। ২০০২ সালের বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর থেকে ইউরোপের বিভিন্ন দল ব্রাজিলের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে, যার মধ্যে ফ্রান্স, জার্মানি, এবং বেলজিয়াম উল্লেখযোগ্য।
নরওয়ে বিশ্বকাপে কখনও শেষ ষোলো পেরোয়নি, তবুও তারা ব্রাজিলের জন্য একটি অজানা বিপদের মতো। এবারের ব্রাজিল দলের কোচ কার্লো আনচেলত্তি একটি নতুন দল গঠন করেছেন, যেখানে আক্রমণ ও রক্ষণের সমন্বয় রয়েছে।
আক্রমণের দায়িত্বে আছেন ভিনিসিয়ুস ও কুনিয়া, যারা পুরোনো ভুতকে পরাজিত করার জন্য প্রস্তুত। রক্ষণভাগের গাব্রিয়েল মাগালহায়েস ও মার্কিনিওসও শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছেন। তবে, মধ্যমাঠে লুকাস পাকেতার চোট এবং কাসেমিরোর ফর্ম নিয়ে কিছু প্রশ্ন রয়েছে।
নরওয়ের আক্রমণভাগে আর্লিং হলান্ডের মতো গোল মেশিন রয়েছে, যিনি ম্যাচের ফলাফল বদলে দিতে সক্ষম। নরওয়ের কোচ স্তালে সোলবাকেনও জানেন, এটি তাদের ইতিহাসের একটি সুযোগ।
এই পর্যন্ত চারবারের মুখোমুখি দেখায় ব্রাজিল কখনো নরওয়েকে হারাতে পারেনি, যেখানে নরওয়ে দুইবার জয়ী হয়েছে এবং দুইটি ম্যাচ ড্র হয়েছে। এবারও কি ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হবে? ব্রাজিলের জন্য এটি শুধুমাত্র শক্তির লড়াই নয়, বরং মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকারও বিষয়।
ব্রাজিলের ডাগআউটে ডনকার্লো নামক মাস্টারমাইন্ড রয়েছেন, যিনি দলের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। ম্যাচটি বাঁচা-মরার, এবং প্রশ্নটি রয়ে গেছে: হেক্সা মিশনের পথ কি সংকীর্ণ হয়ে আসবে, নাকি ইউরোপিয়ান ভূত আবারও বাধা হয়ে দাঁড়াবে?