ভালো কোম্পানির তালিকাভুক্তি ছাড়া শক্তিশালী পুঁজিবাজার গড়ে তোলা সম্ভব নয়—এ কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান মাসুদ খান।
তিনি বলেন, শুধু প্রণোদনা দিয়ে ভালো কোম্পানি আনা যাবে না, বরং আইপিও প্রক্রিয়া সহজ করতে হবে। এই প্রক্রিয়ার উন্নয়নের জন্য মিউচুয়াল ফান্ডকে আবারও শক্তিশালী করা হবে, যা ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে সহায়ক হবে।
দেশের পুঁজিবাজার সংকট কাটিয়ে খানিকটা ঘুরে দাঁড়িয়েছে। এক মাসেরও বেশি সময় ধরে হাজার কোটি টাকার ওপরে লেনদেন হচ্ছে এবং এ সময়ে সূচক ৩শ পয়েন্টেরও বেশি বেড়েছে। বাজার মূলধন বেড়েছে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা।
বাজারের উর্ধ্বমুখী প্রবণতায় বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরতে শুরু করেছে। বিএসইসি চেয়ারম্যান মাসুদ খান বলেন, নতুন কোম্পানি তালিকাভুক্তি নিয়ে দুশ্চিন্তা রয়েছে, কারণ ২ বছরের বেশি সময় ধরে আইপিও শূন্য অবস্থায় রয়েছে।
তিনি জানান, ভালো কোম্পানির বাজারে আনতে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া হবে। বিএসইসি নতুন কমিশন গঠন করেছে, যা কারসাজি বন্ধ করতে তৎপর রয়েছে এবং নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে।
ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষায় মিউচুয়াল ফান্ডকে সক্রিয় করা হবে। মাসুদ খান আরও জানান, পুঁজিবাজারের উন্নয়নে দ্রুত কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এবং ৩ থেকে ৬ মাসের মধ্যে আইনেও বড় পরিবর্তন আসবে।
লেনদেন বাড়াতে মার্জিন ঋণ নীতিমালায় সংশোধনী আসবে এবং বিএসইসি পুঁজিবাজারে লেনদেনে কোন হস্তক্ষেপ করবে না। তবে বিনিয়োগে সহায়ক পরিবেশ তৈরি করে দেওয়া হবে।