প্রস্তাবিত মিয়ানমার হয়ে চীন পর্যন্ত করিডরের বিষয়টি এখনও আলোচনা পর্যায়ে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। শনিবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর মিয়ানমার ও চীন সফর নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মিয়ানমার হয়ে চীন, করিডরের বিষয়টি আলোচনা পর্যায়ে আছে। এটি নিয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।’
শুক্রবার চীনের বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব পিপলে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রপতি শি চিনপিংয়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন গণমাধ্যমকে বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানান।
মাহদী আমিন জানান, বৈঠকে বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার এবং চীন হয়ে একটি ইকোনমিক করিডোর তৈরির প্রস্তাব এসেছে। এই ইকোনমিক করিডোরের মূল লক্ষ্য হচ্ছে অর্থনীতির ব্যাপ্তি বাড়ানো এবং পণ্য আমদানি-রপ্তানি আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।
ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘মালয়েশিয়াতে অবৈধ ৮ হাজার বাংলাদেশি কর্মীর কাজে যোগদানের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ঢাকা–বেইজিং সম্পর্ক আরেক ধাপে উন্নীত হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের মধ্য দিয়ে।’