প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, মালয়েশিয়া ও চীন সফরে অর্জিত সাফল্যগুলো ব্যক্তিগত নয়, বরং দেশের অর্জন। আজ শনিবার সকালে সংসদ অধিবেশনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ আমাদেরকে দায়িত্ব দিয়েছে তাদের স্বার্থ দেখার জন্য। আমি আমার অবস্থান থেকে দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছি। এখানে কারও কোনো ব্যক্তিগত অর্জন নয়, ভালো কিছু হলে তা বাংলাদেশের অর্জন।’
সকাল ১১টায় শুরু হওয়া সংসদ অধিবেশনে বাজেট নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল। তবে প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফরের সাফল্যের জন্য ধন্যবাদ প্রস্তাব আনেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে ধন্যবাদ প্রস্তাবটি গৃহীত হয়।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এ সফর বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মালয়েশিয়া ও চীনের সঙ্গে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়েছে এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে।’
মন্ত্রী জানান, সফরকালে চীনের সঙ্গে ১৭টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এছাড়া দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠকে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বিনিয়োগ, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানসহ বিভিন্ন বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতির ভিত্তি তৈরি হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর এ সফর বাংলাদেশের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির মৌলিক নীতিমালা প্রতিফলিত করে। মালয়েশিয়ার সঙ্গে শ্রমবাজার, জ্বালানি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ এবং চীনের সঙ্গে অবকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে।’
বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান ধন্যবাদ প্রস্তাবের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেন, ‘স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়নে বিরোধী দল সরকারের প্রতি পূর্ণ সহযোগিতা করবে। মালয়েশিয়া ও চীন বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু।’