বিশ্লেষকরা মনে করছেন, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র তথ্য বিনিময় অন্য দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ককে প্রভাবিত করবে না। প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের পর, বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশি পণ্যের জন্য আলাদা আউটলেট খোলার সমঝোতাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে দেখছেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শুক্রবার রাতে দেশে ফিরে আসেন, যেখানে তিনি বেইজিংয়ে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর সঙ্গে বৈঠক করেন। এই বৈঠকে প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র তথ্য বিনিময়ে ঐকমত্যের পাশাপাশি বাণিজ্যিক করিডরের প্রস্তাবও উঠে আসে।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ফরিদুল আলম বলেছেন, "বাংলাদেশের পণ্য চীনের বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা পেলেও, প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে রয়েছে। চীন ৩২টি শহরে ৩২টি আউটলেট খুলতে যাচ্ছে, যা বাংলাদেশের জন্য একটি বড় সুযোগ।"
সাবেক কূটনীতিক আশরাফ উদ্দৌলা জানান, "এই সফরটি বাংলাদেশের ফরেন পলিসির চিত্র তুলে ধরছে এবং দেশের স্বার্থকে সামনে রেখে নীতি নির্ধারণের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।"
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে সিন্ডিকেট ভাঙার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক রাশেদ আলম ভূঁইয়া বলেন, "মালয়েশিয়ার ফরেন ডিরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট থেকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা একটি বড় লক্ষ্য।"
বিশেষজ্ঞরা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে দেশের স্বার্থ রক্ষা করতে কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গির ওপর বেশি নজর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।