ভেনেজুয়েলায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর জরুরি অবস্থার ঘোষণা করা হয়েছে, যেখানে রাজধানী কারাকাসসহ বিভিন্ন শহরে ভবন ধসে অন্তত ১৬৪ জন নিহত এবং প্রায় ১,০০০ জন আহত হয়েছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভূমিকম্পের পর ভেনেজুয়েলান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে এবং সাহায্য পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। দেশটি দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কবলে রয়েছে, যা অর্থনৈতিক সংকট সৃষ্টি করেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলাকে সাহায্য দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং বলেছেন, "আমরা আমাদের নতুন এবং মহান বন্ধুদের জন্য দ্রুত সাহায্য করতে প্রস্তুত।"
ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী সরকারের নেতা ডেলসি রদ্রিগেজ এই সহায়তার জন্য ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তবে, বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, এই দুর্যোগের সময় সাহায্য কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞার প্রভাব পড়তে পারে।
ফিনল্যান্ডের HUMLOG ইনস্টিটিউটের উপ-পরিচালক সারা শিফলিং বলেছেন, "সাহায্য প্রয়োজনীয় মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারবে না।" তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, নিষেধাজ্ঞার কারণে মানবিক সহায়তা পাঠানো কঠিন হয়ে পড়ছে।
ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে, যেখানে ২০২৪ সালের জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী প্রায় ৮০% ভেনেজুয়েলান দারিদ্র্যের মধ্যে বাস করছে। খাদ্য ও মৌলিক ওষুধের অভাব রয়েছে।
জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি মাইকেল ফাখরি বলেছেন, নিষেধাজ্ঞাগুলি সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি বাস্তবায়নে বাধা দিচ্ছে।
ভূমিকম্পের পর ভেনেজুয়েলার জনগণের জন্য সহায়তা প্রয়োজনীয়তা তীব্র হয়েছে, এবং দেশটির অভ্যন্তরীণ বাজারের অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে, যা বিদেশ থেকে সাহায্য প্রেরণের প্রয়োজনীয়তা বাড়িয়ে দিয়েছে।