রাজস্ব ব্যবস্থার সংস্কারে তিনটি বড় পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। বুধবার রাজধানীর গুলশানে মেট্রোপলিটন চেম্বার আয়োজিত বাজেট পরবর্তী এক সংলাপে তিনি এ কথা বলেন।
ড. তিতুমীর জানান, প্রস্তাবিত বাজেট সময়োপযোগী হলেও সঠিক বাস্তবায়ন নিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে শঙ্কা রয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে এই সংলাপের আয়োজন করে মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই)।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ব্যবসা সহজীকরণসহ বিভিন্ন বিষয় বাজেটে উঠে এসেছে, যা ইতিবাচক। তবে উচ্চাভিলাষী রাজস্ব আদায় লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে বাজেট বাস্তবায়ন কঠিন হবে, বিশেষ করে বাড়তি রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য পূরণ করতে গিয়ে সাধারণ করদাতাদের ওপর চাপ পড়বে।
এমসিসিআই সভাপতি কামরান টি রহমান বলেন, বাজেটে কর ও রাজস্ব প্রশাসনের আধুনিকায়ন, ডিজিটালাইজেশন এবং ব্যবসা সহজীকরণের মতো বেশ কিছু ব্যবসাবান্ধব সংস্কারের প্রস্তাব রয়েছে। তবে বাজেট বাস্তবায়ন সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ বিদ্যমান।
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের সিইও নাসের এজাজ বিজয় মন্তব্য করেন, দুর্নীতি বন্ধের জন্য একটি কার্যকরী পরিকল্পনা থাকা প্রয়োজন। ব্যাংকিং সেক্টরে সংস্কারের জন্য আরও বিস্তারিত পরিকল্পনা প্রয়োজন ছিল।
ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর জানান, দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে তিন ধাপের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, কর ফাঁকি, অব্যাহতি ও জালিয়াতি কমাতে পারলে রাজস্ব আয় স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাড়বে।
তিনি আরও জানান, রাজস্বসহ প্রতিটি খাতের জন্য মাসভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করা হয়েছে এবং নিয়মিত অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে লাল ফিতার দৌরাত্ম্য কমানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।