গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল, ১৪ জুন রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে বাজেট বাস্তবায়নে অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং জনসাধারণের জন্য তথ্য উন্মুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছেন।
হাতিরপুলে অনুষ্ঠিত এই সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, বাজেট বাস্তবায়নে কাজের মান ও পরিমাণ যথোপযুক্ত রাখতে এবং সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিয়মিত অগ্রগতি মূল্যায়ন জরুরি।
বক্তারা উল্লেখ করেছেন, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী মূল্যস্ফীতি, বেসরকারি খাতের মন্থর বিনিয়োগ এবং ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা সরকারের বাজেটের মূল চ্যালেঞ্জ। তারা বলেন, এই বাজেট কাঠামোগত সংস্কার, বেসরকারি খাতের নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণ এবং সামাজিক খাতে ব্যয়ের ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করছে।
তাদের মতে, বাজেটের বিশাল আকার এবং ব্যাংক ঋণের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা সামষ্টিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে। বক্তারা আরও বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটটি একটি বড় অর্থনৈতিক বাজি।
এছাড়া, ভোক্তাদের ওপর থেকে পরোক্ষ কর হ্রাস, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী সম্প্রসারণ এবং তথ্যপ্রযুক্তি ও কৃষিখাতকে সহায়তা দেওয়ার মাধ্যমে রাজনৈতিক সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তারা।
বক্তারা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে পদ্ধতিগত ব্যয় বৃদ্ধির সিদ্ধান্তটিকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেছেন, যা এলডিসি-উত্তর অর্থনীতির জন্য প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক মানোন্নয়নের সাথে সঙ্গতি রাখে।