ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সমঝোতার ঘোষণা হলেও পরিস্থিতি এখনও অস্পষ্ট রয়ে গেছে। একশ দিন পার হলেও স্থায়ী শান্তি চুক্তি গড়ে উঠেনি, যা প্রধানত হোয়াইট হাউজের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একাধিকবার সমঝোতার সম্ভাবনা সৃষ্টি হলেও প্রতিবারই তা ভেঙে গেছে। এই সংকটের ফলে হোয়াইট হাউজের রাজনৈতিক চাপ ক্রমেই বাড়ছে।
হোয়াইট হাউজ দাবি করছে যে তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে এবং ইরানকে আলোচনায় আনতে সক্ষম হয়েছে। তবে বাস্তবতা ভিন্ন — যুদ্ধ বন্ধে ব্যর্থতা এবং কার্যকর চুক্তি না হওয়া যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত সীমাবদ্ধতাকে স্পষ্ট করে।
বিশ্বাসযোগ্যতা একটি বড় সংকট হয়ে দাঁড়িয়েছে। যুদ্ধবিরতি বা নিয়ন্ত্রণের যে বার্তা দেওয়া হচ্ছে, তা বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়ে পড়ছে, ফলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতার সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে মৌলিক মতবিরোধ এখনও অমীমাংসিত। লেবানন পরিস্থিতি এবং হরমুজ প্রণালির উত্তেজনা আরও জটিলতা সৃষ্টি করছে।
যুদ্ধের দীর্ঘায়িত হওয়ার ফলে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপ বাড়ছে, যা মূল্যস্ফীতি, জ্বালানি ব্যয় বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে হোয়াইট হাউজের জন্য রাজনৈতিক ঝুঁকি তৈরি করছে।