বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬
ব্রেকিং
সিয়াটলে খাদ্য উৎসবে গুলিতে তিনজন নিহত, আহত চারজন দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপে দাবানল: ৩২৫,০০০ মানুষ নিরাপদ স্থানে সরানো হয়েছে সিয়াটলে ফুড ফেস্টিভ্যালে বন্দুক হামলায় নিহত ২, আহত ৫ সিয়াটলে ফুড ফেস্টিভ্যালের কাছে গোলাগুলিতে দুইজন নিহত, আহত পাঁচ চেরনিহিভে রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘর্ষে ১০ জন নিহত, শিশু অন্তর্ভুক্ত রাজবাড়ীতে ট্রেনের বিচ্ছিন্ন বগির ধাক্কায় নিহত ২, আহত ৬ ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের হামলা, পশ্চিম তীরে মসজিদ পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ফ্রান্স ও স্পেনে দাবানলে বিপর্যয়, তিন লাখ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে ফ্রান্স ও স্পেনে দাবানলে তিন লাখের বেশি মানুষ ঘরছাড়া বার্লিনে সমকামীদের প্রাইড শোভাযাত্রায় গাড়িচাপা, নিহত ১
স্বাস্থ্য

সুপার এল নিনোর কারণে আবহাওয়ার ভয়াবহ পরিবর্তন

সুপার এল নিনোর কারণে আবহাওয়ার ভয়াবহ পরিবর্তনের সতর্কবার্তা দিয়েছে জাতিসংঘ।

সুপার এল নিনোর কারণে আবহাওয়ার ভয়াবহ পরিবর্তন

আটলান্টিক মহাসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের মরশুম শুরু হয়েছে, যা জুন থেকে নভেম্বর পর্যন্ত চলবে। এবারের পরিস্থিতি স্বাভাবিকের চেয়ে ভিন্ন। জাতিসংঘ এবং আবহাওয়াবিদরা 'সুপার এল নিনো' নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন।

আমেরিকার আবহাওয়া সংস্থা নোয়া জানিয়েছে, এবারের এল নিনো আটলান্টিকে ঝড়ের দাপট কমাবে। এল নিনো বা 'এনসো' দুই মহাদেশের আবহাওয়ার ওপর প্রভাব ফেলে। এটি প্রশান্ত মহাসাগরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়, যা বিশ্বজুড়ে ঝড়ের সৃষ্টি করে।

এল নিনো সাধারণত আটলান্টিকে ঝড়ের তীব্রতা এবং স্থায়িত্ব ৬০ শতাংশ কমিয়ে দেয়। নোয়ার পরিচালক কেন গ্রাহাম বলেছেন, “এল নিনো ঝড় কমাতে পারে, কিন্তু একটি শক্তিশালী ঝড়ই ধ্বংস করতে পারে।”

অন্যদিকে, প্রশান্ত মহাসাগরের কাছে ঝড়ের সংখ্যা বাড়বে। অস্ট্রেলিয়া এবং দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে এল নিনোর ফলে ঝড়ের সংখ্যা কমলেও, ঝড়ের কেন্দ্র পূর্ব দিকে সরে যায়।

এশিয়ার জন্য এল নিনো মৌসুমি বায়ুকে দুর্বল করে দেয়, ফলে খরা এবং দাবানলের ঝুঁকি বেড়ে যায়। দক্ষিণাঞ্চলে ভারী বৃষ্টি এবং বন্যার সম্ভাবনা রয়েছে।

এল নিনোর প্রভাবের কারণে আগামী ২০২৭ সালে মানব ইতিহাসের সবচেয়ে গরম বছর হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, “এল নিনো পরিস্থিতি ফুটন্ত পৃথিবীর আগুনে আরও ঘি ঢালবে।”

বিজ্ঞাপন