শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬
ব্রেকিং
আন্তর্জাতিক

দক্ষিণ লেবাননে বিউফোর্ট দুর্গ পুনর্দখল, ইসরায়েলের সামরিক কৌশল স্পষ্ট

দক্ষিণ লেবাননের বিউফোর্ট দুর্গ পুনর্দখল ইসরায়েলের সামরিক কৌশলকে প্রভাবিত করছে।

দক্ষিণ লেবাননে বিউফোর্ট দুর্গ পুনর্দখল, ইসরায়েলের সামরিক কৌশল স্পষ্ট

দক্ষিণ লেবাননের বিউফোর্ট দুর্গ, যা ৯০০ বছর পুরোনো, ইসরায়েলের পুনর্দখলকে বিশ্লেষকরা সামরিক অভিযান ছাড়াও একটি প্রতীকী বার্তা হিসেবে দেখছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দুর্গটির নিয়ন্ত্রণ ইসরায়েলকে নজরদারি ও সামরিক কর্মকাণ্ডে বাড়তি সুবিধা দেবে এবং অতীতের দখলদারিত্বের স্মৃতি নতুন করে সামনে নিয়ে আসবে। ১৯৮২ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত এই দুর্গটি ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে ছিল, তবে হিজবুল্লাহর হামলার কারণে ইসরায়েলি বাহিনী সেখান থেকে সরে যেতে বাধ্য হয়।

বর্তমানে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকা সত্ত্বেও ইসরায়েলি বাহিনী শনিবার দুর্গটিতে প্রবেশ করে। কার্নেগি মিডল ইস্ট সেন্টারের গবেষক মোহনাদ হাজে আলী জানান, 'দক্ষিণ লেবাননের মানুষের কাছে বিউফোর্ট দুর্গ ইসরায়েলি দখলদারিত্বের প্রতীক।'

দুর্গটি লিতানি নদীর পাশে একটি পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত এবং সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৭০০ মিটার উঁচুতে। এটি শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে অঞ্চলটির একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অবস্থান হিসেবে পরিচিত।

দুর্গটির অবস্থান ইসরায়েলকে পূর্ব দিকে গোলান মালভূমি ও পশ্চিমে ভূমধ্যসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা নজরদারি করতে সহায়তা করে। বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই পুনর্দখল ইসরায়েলের জন্য বড় ধরনের সামরিক অর্জন।

মোহনাদ হাজে আলী আরও বলেন, 'সামরিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিউফোর্ট দুর্গ ইসরায়েলকে বড় সুবিধা দেয়, যা আশপাশের অঞ্চলে নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে সহায়তা করে।'

স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে যে, এটি দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের প্রভাব বাড়ানোর ইঙ্গিত হতে পারে এবং এই ঘটনাটি অঞ্চলের চলমান উত্তেজনা ও সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

বিজ্ঞাপন