সোমবার, ০১ জুন, ২০২৬
ব্রেকিং
অর্থনীতি

জ্বালানির দাম বাড়ানোর পেছনে সরকারের ব্যাখ্যা

জ্বালানির দাম বাড়ানোর পেছনে সরকারের ব্যাখ্যা, আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাব ও ভর্তুকির বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।

জ্বালানির দাম বাড়ানোর পেছনে সরকারের ব্যাখ্যা

বিশ্ববাজারের সাথে সমন্বয় করে প্রতি মাসে জ্বালানির মূল্য সমন্বয় করা হয়। এর অংশ হিসেবে সরকারের পক্ষ থেকে জ্বালানির দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ তথ্য জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

সোমবার (১ জুন) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, মে মাসে জ্বালানির মূল্য সমন্বয় হয়নি, কারণ এপ্রিল মাসে একটি সমন্বয় করা হয়েছিল। প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকার অপ্রিয় সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হচ্ছে শুধুমাত্র একান্ত উপায়হীন হলে।

তিনি আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের কারণে বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। দেশের জ্বালানি ব্যবহারের সবচেয়ে বড় অংশ ডিজেল, যার পেছনে সরকারকে সবচেয়ে বেশি ভর্তুকি দিতে হয়। তবে সাধারণ মানুষের ওপর প্রভাব কম রাখতে ডিজেলের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এলে সরকার দ্রুত সমন্বয় করার চেষ্টা করবে। জনগণের প্রতি সরকারের দায়বদ্ধতা রয়েছে এবং মানুষের কষ্ট লাঘবে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত দ্রুত নেওয়া হবে।

বিদ্যুতের দাম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি)। সরকার কমিশনের স্বাধীন ক্ষমতা পুনর্বহাল করেছে এবং বর্তমানে এ বিষয়ে সরকারের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি।

তিনি জানান, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়িয়ে বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি কমানো হবে, যাতে গ্রাহকদের সাশ্রয়ী মূল্যে বিদ্যুৎ দেওয়া সম্ভব হয়। ঈদের ছুটিতে বিদ্যুতের চাহিদা ৫ হাজার ৭০০ মেগাওয়াটে নেমে এসেছিলো, তাই লোডশেডিংয়ের কারণ নেই। তবে ঝড়-বৃষ্টির দুর্যোগের কারণে কিছু জায়গায় লোডশেডিং করতে হয়েছে।

বিজ্ঞাপন