ইরান আরও শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের ঘোষণা দিয়েছে। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো আলোচনায় বসার প্রস্তাব নাকচ করেছে।
যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে যে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ধ্বংস হয়ে গেছে, তবে ইরান জানায়, তারা এখন আগের চেয়ে বেশি সংখ্যায় ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করছে। এসব ক্ষেপণাস্ত্রের ওয়ারহেডের ওজন এক টনেরও বেশি। খবর আল জাজিরার।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যদি হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র ‘২০ গুণ বেশি কঠোর আঘাত’ হানবে। তবে ট্রাম্প কিছুক্ষণ আগে বলেছিলেন, চলমান যুদ্ধ ‘খুব শিগগিরই শেষ হতে পারে’ বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের লক্ষ্যবস্তুতে পাল্টা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। বাহরাইন, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবেও ইরানের হামলার খবর পাওয়া গেছে। বাহরাইনের রাজধানী মানামায় একজন নিহত হয়েছেন এবং মধ্য ইসরায়েলে আরও দুজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
এদিকে, তেহরানে রাতভর যুদ্ধের সবচেয়ে তীব্র বোমাবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। রাজধানীর রিসালাত স্কয়ারের কাছে হামলায় অন্তত ৪০ জন নিহত হয়েছেন।
ইসরায়েল এবং হিজবুল্লাহর মধ্যেও গোলাগুলি ও হামলা-পাল্টা হামলা অব্যাহত রয়েছে। লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা ৪৮৬ জন ছাড়িয়েছে।