মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সামরিক অভিযানের কারণে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে, যার প্রভাব ইতিমধ্যে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে পড়তে শুরু করেছে।
জ্বালানি অর্থনীতিবিদ এড হির্স সতর্ক করেছেন যে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল সরবরাহ ব্যাহত হলে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। তিনি আল-জাজিরাকে বলেন, "যদি হরমুজ প্রণালি দিয়ে আসা তেলের অর্ধেকও বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে তেলের দাম এক সময়ে প্রতি ব্যারেল ১৫০ ডলারে উঠে যেতে পারে।"
মার্কিন নৌবাহিনী ট্যাংকারগুলোকে পাহারা দিতে না পারায় এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। হির্স আরও জানান, "তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) বাজারে আমরা এরই মধ্যে প্রভাব পড়তে দেখছি। হামলার প্রথম দিনেই দাম ৪০ শতাংশের বেশি বেড়েছে।"
গত সোম ও মঙ্গলবারের মধ্যে ইউরোপের দেশগুলোতে প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। ডিজেলের দামও অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে, যা গ্যাসনির্ভর দেশগুলোকে পেট্রোলিয়াম মজুত করতে বাধ্য করছে।
হির্স সতর্ক করে বলেন, "যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইংল্যান্ড অঞ্চলের অঙ্গরাজ্যগুলোতে এই পরিস্থিতির বড় প্রভাব পড়বে। যদি এমনটা ঘটে, তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য পরিস্থিতি খুব খারাপ হবে, বিশেষ করে আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে।"