যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রচার ব্যয় অতীতের সব রেকর্ড ভাঙতে যাচ্ছে। নির্বাচনী অর্থায়ন পর্যবেক্ষক সংস্থা ওপেনসিক্রেটসের মতে, এবারের নির্বাচনে মোট ব্যয়ের পরিমাণ ১ হাজার ২শ' কোটি ডলার (১২ বিলিয়ন) পৌঁছাতে পারে।
নির্বাচনের দিনকে সামনে রেখে প্রার্থীদের পক্ষে বিপুল অর্থ ঢালছে বিভিন্ন বহিরাগত রাজনৈতিক সংগঠন, বিশেষ করে সুপার পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি বা সুপার পিএসি। এসব সংগঠনগুলো সরাসরি প্রার্থীদের অর্থ দিতে পারে না, বরং প্রচারমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে সমর্থন জানায়।
যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল নির্বাচন কমিশনের (এফইসি) সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, অক্টোবরের মাঝামাঝি পর্যন্ত ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ৯৫০ কোটি ডলারের বেশি ব্যয় হয়েছে। এর মধ্যে পিএসি ও সুপার পিএসিগুলোর ব্যয়ই ৫৫০ কোটি ডলারের বেশি।
বিশেষজ্ঞ মাইকেল বেকেল জানান, এবারের নির্বাচনে অর্থের বড় অংশ আসছে ধনীদের কাছ থেকে। উদারপন্থী গোষ্ঠী ব্রেনান সেন্টার ফর জাস্টিসের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত শীর্ষ ৪০ জন দাতা নির্বাচনী প্রচারে ২৪০ কোটি ডলার অনুদান দিয়েছেন।
এদিকে, ধনকুবের ইলন মাস্ক রিপাবলিকান প্রার্থীদের সমর্থনে প্রায় ৫০ কোটি ডলার দিয়েছেন। তার অর্থায়নের বড় অংশ টেক্সাসের সিনেট নির্বাচনে ব্যয় হয়েছে।
ক্রিপ্টোকারেন্সি খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোও নির্বাচনী প্রচারে অর্থায়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে। রিপল ও কয়েনবেস সম্মিলিতভাবে ৬ কোটি ৩০ লাখ ডলার দিয়েছে।
নির্বাচনী প্রচারে সবচেয়ে বেশি অর্থ খরচ হচ্ছে বিজ্ঞাপনে, বিশেষ করে টেলিভিশনে প্রচারিত বিজ্ঞাপনগুলোতে। অক্টোবরের শেষ পর্যন্ত বিজ্ঞাপন খাতে ব্যয় হয়েছে ১ হাজার ১১৫ কোটি ডলার।