মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর, ২০২৬
ব্রেকিং
ইউক্রেনে ত্রাণ কেন্দ্রে রুশ হামলায় ২৬ জন নিহত রাশিয়ার বিমান হামলায় ইউক্রেনে ২৬ জন নিহত মিয়ানমারে বিমান হামলায় নিহত ১৫, আহত ৩৭ ফরিদপুরে যুবকের চোখ উপড়ে হত্যাচেষ্টা, হাসপাতালে ভর্তি ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের রিসোর্টের কাছে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত, ৯ আরোহী নিহত কুমিল্লায় মাদ্রাসায় ২ শিশুকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেফতার ফ্লোরিডায় বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৯ জনের মধ্যে চালকও রয়েছেন ফ্লোরিডায় ব্যবসায়িক জেট দুর্ঘটনায় ৯ জন নিহত ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক কঙ্গোতে ইবোলার মৃতের সংখ্যা ৫,০০০ ছাড়ালো ২০ মিনিটে ৬.৩ বিলিয়ন ডলারের ক্রিপ্টো চুরি, ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সাইবার হামলা
জাতীয়

জেল হত্যা দিবস: জাতীয় চার নেতার নির্মম হত্যাকাণ্ডের স্মরণ

আজ জেল হত্যা দিবস, ১৯৭৫ সালে জাতীয় চার নেতার নির্মম হত্যাকাণ্ডের স্মরণ।

জেল হত্যা দিবস: জাতীয় চার নেতার নির্মম হত্যাকাণ্ডের স্মরণ

আজ ৩ নভেম্বর, জেল হত্যা দিবস। ১৯৭৫ সালের এই দিনে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এম মনসুর আলী ও এএইচএম কামারুজ্জামানকে।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই হত্যাকাণ্ড ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার ধারাবাহিকতা ছিল। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার কয়েকদিনের মধ্যে জাতীয় চার নেতাকে গ্রেফতার করা হয় এবং ৩ নভেম্বর কারান্তরালে তাদের হত্যা করা হয়।

বন্দি অবস্থায় সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী ও এএইচএম কামারুজ্জামানকে প্রথমে গুলি করে, পরে বেয়োনেট দিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করা হয়। তাদের হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কালো অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত।

১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, অর্থমন্ত্রী এম মনসুর আলী এবং খাদ্য ও ত্রাণমন্ত্রী ছিলেন এএইচএম কামারুজ্জামান।

এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের দিনটিকে জেল হত্যা দিবস হিসেবে পালন করা হয়। ঘটনার পরদিন মামলা হলেও তা পুনরুজ্জীবিত করে চার্জশিট গঠন করা হয় ১৯৯৬ সালে। ২০০৪ সালে জেল হত্যার রায়ে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ১২ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

বিজ্ঞাপন