২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফল বিপর্যয়ের কারণে উচ্চশিক্ষায় খালি থাকবে প্রায় ৭ লাখ আসন। শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তীর্ণ হওয়ার হার কমে যাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির যোগ্যতা পূরণে অনেকেই ব্যর্থ হচ্ছেন।
শিক্ষা গবেষকরা জানান, উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন। এবারের পরীক্ষায় অংশ নেয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় অর্ধেকই উত্তীর্ণ হতে পারেনি, যেখানে অকৃতকার্য হয়েছে প্রায় ৬ লাখ শিক্ষার্থী। পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক এক-দুই শতাংশ।
দেশের সরকারি ও বেসরকারি ১৭৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট আসন সংখ্যা ১৩ লাখ ৪০ হাজার। যদিও পাস করা ৬ লাখ শিক্ষার্থী ভর্তি হলে, তবুও ৭ লাখ আসন ফাঁকা থাকবে। এই পরিস্থিতিতে বিশেষজ্ঞরা উচ্চশিক্ষায় পরিকল্পনা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ইমেরিটাস মনজুর আহমদ বলেন, "উচ্চশিক্ষার মান ধরে রাখা জরুরি। একটি স্থিতাবস্থা প্রয়োজন, যা মানসম্মত করতে হবে।"
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মো. ইসরাফিল প্রাং জানান, এবারের ফলাফলে শিক্ষার্থীদের বেশিরভাগই ভর্তির যোগ্যতার শর্ত পূরণ করতে পারছেন না। তিনি বলেন, "এতটা মান যে বিপর্যয় হয়েছে, সেটা আমারও ধারণা ছিল না। কিছু শর্ত পুনর্বিবেচনা হতে পারে।"
বিশেষজ্ঞরা বলেন, দেশের উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে শুধু আসন বাড়ানোই নয়, বরং গুণগত পরিবর্তন ও বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকদের গুরুত্ব দেয়ার প্রয়োজন রয়েছে।