গাজীপুরে শ্রমিকদের ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে ব্যাপক অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। শ্রমিকরা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ ও অবরোধ শুরু করেন। আজ রোববার সকাল থেকে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
বিশৃঙ্খলা রোধে কালিয়াকৈরের চন্দ্রা পল্লী বিদ্যুৎ এলাকা থেকে কোনাবাড়ি পর্যন্ত অধিকাংশ কারখানা কর্তৃপক্ষ ছুটি ঘোষণা করেছে। সড়ক অবরোধের কারণে যাত্রী ও চালকদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশের পাশাপাশি বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শ্রমিকরা টানা কয়েক দিন ধরে ৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে আন্দোলন করছেন। গতকাল দুপুরের পর চন্দ্রা পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা, যার ফলে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।
বিক্ষোভ চলাকালে পুলিশ আন্দোলনরত শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করতে সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল ব্যবহার করে। এর ফলে শ্রমিকরা পুলিশের গাড়িসহ অন্তত ১৫টি গাড়ি ভাঙচুর করেন।
আজও একই দাবিতে শ্রমিকরা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে অবরোধ সৃষ্টি করে। চন্দ্রা পল্লী বিদ্যুৎ থেকে কোনাবাড়ি পর্যন্ত অধিকাংশ কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
গাজীপুর শিল্পাঞ্চল-২ এর পুলিশ সুপার মো. আমজাদ হোসাইন বলেন, "শ্রমিকরা বেতন ভাতা বাড়ানোর দাবিতে আন্দোলন করছেন। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অধিকাংশ কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।" তিনি আরও জানান, মহাসড়কের প্রতিটি পয়েন্টে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।