ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসসহ অন্যান্য শহরে চলমান বিক্ষোভের মধ্যে কারফিউ জারি করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত প্লেস দ্য লা রিপাবলিক ও লে আলের আশপাশে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়েছে।
ফ্রান্সের শ্রমমন্ত্রী জানিয়েছেন, এটি আর গণতান্ত্রিক বিক্ষোভ নয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন্ট নুনেজের মতে, পুলিশের জন্য কিছু শহরের ওপর নিয়ন্ত্রণ রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
বিক্ষোভের কারণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হিমশিম খাচ্ছে। বিশেষ করে নিস শহরে অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য আলাদা কারফিউ ঘোষণা করা হয়েছে। উত্তরাঞ্চলের তিনটি শহরে দুই দিনের কারফিউও আরোপ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দিয়েছেন। এক বিক্ষোভকারী বলেন, “এটা অত্যন্ত দুঃখজনক যে, প্রেসিডেন্ট ম্যাখোঁ আমাদের কথা শুনছেন না।”
বিক্ষোভের সময় দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে, যা নিয়ে ব্যবসায়ীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এক ব্যবসায়ী বলেন, “তারা বিক্ষোভকারী ছিল না, তারা ছিল দাঙ্গাবাজ।”
সোমবার, শ্রমমন্ত্রী প্যারিসের লুটপাট হওয়া দোকান পরিদর্শন করেন এবং জানান, “প্যারিসের প্রতিটি দোকানের সামনে পুলিশ মোতায়েন করা সম্ভব নয়।”
এদিকে, প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ গোয়েন্দা তথ্যের ব্যর্থতার কথা স্বীকার করেছেন। শিক্ষা ব্যবস্থায় অনিয়ম, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং সরকারি ব্যয় কমানোর প্রতিবাদে গত এক মাস ধরে বিক্ষোভ চলছে।