বিগত তিন বছর পর বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে ব্যবসায়ীরা বাণিজ্য সহজীকরণ এবং আমদানি-রপ্তানি বাধা দূর করার জন্য ইতিবাচক সিদ্ধান্তের প্রত্যাশা করছেন।
নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ১৬তম যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ (জেডব্লিউজির) বৈঠকে বাণিজ্য বাধা দূর করা, স্থলবন্দর ও সীমান্তে পণ্য চলাচল সহজ করা এবং রপ্তানিতে অশুল্ক বাধা কমানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা ভারতের বাজারে পণ্য প্রবেশের বাধা কমানোর দাবি জানাচ্ছেন। তাদের অভিযোগ, শুল্ক ছাড়াও পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ এবং পরীক্ষাগার সনদসহ নানা বিধিনিষেধের কারণে ভারতে পণ্য পাঠাতে বাড়তি সময় ও অর্থ ব্যয় হচ্ছে।
ডিসিসিআইয়ের সাবেক সহ সভাপতি হুমায়ুন রশিদ বলেন, “আমাদের আগামীর জন্য অনেক বেশি স্মার্ট হতে হবে। বর্তমান প্রযুক্তির সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে এবং ভারতের সঙ্গে আরও বেশি বাণিজ্য আলোচনায় যেতে হবে।”
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি একটি বড় সমস্যা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছরে বাংলাদেশ ভারত থেকে ১০ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে, যেখানে বাংলাদেশের রপ্তানি ছিল মাত্র ১ দশমিক ৭৬ বিলিয়ন ডলার।
অর্থনীতিবিদ মাহফুজ কবির বলেন, “এখনও বেশ কিছু সমস্যা রয়ে গেছে, যা সমাধান করতে হবে। ভারতের দিক থেকেও বাংলাদেশের কাছে কিছু দাবি রয়েছে, বিশেষ করে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে।”
বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য বৈঠকে শুল্ক ও অশুল্ক বাধা কমিয়ে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ানোর জন্য কী ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হবে, তা নিয়ে সবার নজর থাকবে।