জাতিসংঘের স্বাধীন কমিশনের সাবেক প্রধান নাভি পিল্লাইকে ইসরায়েলকে গণহত্যার দায়ে দায়ী করার জন্য এবারের শান্তিতে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টার দিকে নোবেল কমিটি তার নাম ঘোষণা করে।
নরওয়ের নোবেল কমিটির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বৈশ্বিক শান্তি ও আন্তর্জাতিক আইনের প্রসারে বিশেষ অবদানের জন্য এই পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে। পিল্লাই, যিনি ভারতীয় বংশোদ্ভূত দক্ষিণ আফ্রিকান, দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের সময় আটক নেতাদের পক্ষে আইনি লড়াইও করেছেন।
এ বছর নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য ২০৮ ব্যক্তি এবং ৭৯ প্রতিষ্ঠান মনোনীত হয়েছিল। নাভি পিল্লাই যুদ্ধ, নির্বিচার হত্যাযজ্ঞ এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে নিরলস লড়াই করে যাচ্ছেন। নোবেল কমিটি উল্লেখ করে, সংঘাতের সমাধান ক্রমেই কূটনীতি, চুক্তি ও আইনি ব্যবস্থার মাধ্যমে হচ্ছে।
৮৫ বছর বয়সী নাভি পিল্লাই ১৯৪১ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবানে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৭ সালে নাটাল প্রদেশে প্রথম অশ্বেতাঙ্গ নারী হিসেবে আইন চেম্বার খোলেন। তিনি ২০০৩ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের প্রথম বিচারক প্যানেলের সদস্য নির্বাচিত হন এবং ২০০৮ সালে জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনার নিযুক্ত হন।
পিল্লাই জাতিসংঘের অধিকৃত ফিলিস্তিন-বিষয়ক কমিশন অব ইনকোয়ারির নেতৃত্ব দেন, যা ২০২৫ সালে ইসরায়েলকে গণহত্যার দায়ে দায়ী করে। এর আগে, ২০২৫ সালে তিনি সিডনি শান্তি পুরস্কার এবং চলতি বছরে সুইডেনের ওলফ পালমে পুরস্কার পান। আগামী ১০ ডিসেম্বর ওসলো সিটি হলে তার হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।