যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও'র সঙ্গে বৈঠক করতে ওয়াশিংটনে পৌঁছেছেন সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান। ২৮ সেপ্টেম্বর সোমবার সৌদি রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার মাধ্যমে তার যুক্তরাষ্ট্র সফরের কথা জানানো হয়।
বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সৌদি সংবাদ সংস্থাটি জানিয়েছে, এই সফরটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ কারণ সম্প্রতি সৌদি আরব ও ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতিদের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে।
চলতি মাসে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ইরান-সমর্থিত হুতিদের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নিতে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা চেয়েছিলেন। তবে ওয়াশিংটন সরাসরি হামলা চালাতে সম্মত হয়নি।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি সূত্রের বরাতে যুক্তরাষ্ট্র হুতিদের বিরুদ্ধে অভিযানে গোয়েন্দা তথ্য ও লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণে সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছে। এর পরেই ইয়েমেনের হুতিদের ছোড়া দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও দুটি ড্রোন প্রতিহত করার খবর জানায় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট।
জোটটি দাবি করেছে, এসব ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সৌদি আরবের দিকে পাঠানো হয়েছিল। খামিস মুশাইত শহরের দিকে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র এবং রাজধানী রিয়াদের দিকে দুটি ড্রোন যাচ্ছিল।
সৌদি আরবের সিভিল ডিফেন্স রাতভর খামিস মুশাইত ও আবহা এলাকার বাসিন্দাদের সতর্কবার্তা পাঠায়, তবে রাজধানী রিয়াদের জন্য কোনো সতর্কতা জারি করা হয়নি।
সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ওয়াশিংটন সফরের সময় হুতিদের সঙ্গে দেশটির উত্তেজনা নতুন করে বেড়ে যাওয়ায় বৈঠকে ইয়েমেন পরিস্থিতি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যু গুরুত্ব পেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।