আজ রোববার রাতে নেশনস লিগের ম্যাচে ইসরায়েলের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে আয়ারল্যান্ড। তবে, এই ম্যাচ নিয়ে দলের মধ্যে বিভক্তি দেখা দিয়েছে। একজন খেলোয়াড় কোচের কাছে জানান যে, তিনি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ম্যাচটি খেলতে অস্বস্তি বোধ করছেন।
ফিলিস্তিনের গাজায় বেসামরিক মানুষের হত্যার অভিযোগে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ম্যাচ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি। এর পর গতকাল শনিবার, আয়ারল্যান্ড ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এফএআই) হাঙ্গেরিতে খেলোয়াড়দের নিয়ে চার ঘণ্টার বৈঠক করে। বৈঠকের পর ভোটাভুটিতে অধিকাংশ খেলোয়াড় ইসরায়েলের বিপক্ষে ম্যাচটি খেলার পক্ষে মত দেন।
এফএআই প্রধান ডেভিড কউরেল জানান, ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হলেও খেলোয়াড়রা কালো আর্মব্যান্ড পরবেন এবং আনুষ্ঠানিকতার কিছু অংশে অংশ নেবেন না। তিনি বলেন, “এটি আমাদের জন্য কঠিন একটি সময়।”
কউরেল আরও জানান, শুক্রবার দলটি প্রিস্টিনায় ছিল এবং সেখানে আলোচনা শেষে ম্যাচ খেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে একজন খেলোয়াড়ের সিদ্ধান্তের পর দলের মধ্যে আলোচনা চলতে থাকে।
আয়ারল্যান্ডে ম্যাচ বয়কটের চাপ বাড়ছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থন তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী। প্রথম ম্যাচটি আজ রাতে এবং দ্বিতীয় ম্যাচটি ৪ অক্টোবর সার্বিয়ার বাক্কা তোপোলায় অনুষ্ঠিত হবে।
আইরিশ কোচ হালগ্রিমসন নিশ্চিত করেছেন যে, একজন খেলোয়াড় দল থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। তবে, তিনি এবং কউরেল গ্যাভিন বাজুনুরের নাম নিশ্চিত করেননি।
হালগ্রিমসন বলেন, “আমরা এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাইনি। তবে আমরা সামনে এগোচ্ছি, ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে।”
কউরেল জানান, খেলোয়াড়েরা সংবাদমাধ্যম থেকে সরে থাকার অনুরোধ করেছেন। তিনি বলেন, “তারা বুঝতে পারছিলেন, এমন একটি পরিবেশে তাদের জন্য স্বস্তিতে থাকা কঠিন।”
ম্যাচের আগে খেলোয়াড়েরা কালো আর্মব্যান্ড পরবেন, যা সংঘাতে প্রাণ হারানো সব মানুষের স্মরণে হবে।
আয়ারল্যান্ডের ১৬০ জনের বেশি ক্রীড়াবিদ ম্যাচ বয়কটের আহ্বান জানিয়ে একটি খোলা চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন। ডাবলিনে বিক্ষোভও হয়েছে, যেখানে খেলোয়াড়দের ম্যাচ বয়কটের আহ্বান জানানো হয়।