এ বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে প্রাণহানি দুইশ ছাড়িয়েছে, যার মধ্যে সেপ্টেম্বরের ২৩ দিনেই প্রাণ গেছে ১০৪ জনের। প্রতিমাসে আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুণ হারে বাড়ছে। জুনে ৩ হাজার, জুলাইয়ে ৯ হাজার রোগী হলেও, আগস্টে বেড়ে দাঁড়ায় ২০ হাজারে। সেপ্টেম্বরের শুরুতেই রোগীর সংখ্যা ৩১ হাজার ছাড়িয়েছে।
হাম রোগের প্রভাবও অব্যাহত রয়েছে। বুধবার ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে হাম ও এর উপসর্গে। টানা ১ মাসের বেশি সময় ধরে প্রতিদিন আক্রান্ত হচ্ছে হাজারের বেশি। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন যে, আক্রান্তের সংখ্যা যে হারে বাড়ছে, তা আগামী মাসেও অব্যাহত থাকতে পারে।
আইইডিসিআরের পরিচালক ডা. কাজী আহমেদ জাকী বলেন, “যেসব জায়গাতে ডেঙ্গুর বিস্তার হচ্ছে সেই হটস্পটগুলোকে ব্যাপক মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে নিয়ে আসতে হবে।” তিনি মশার লার্ভা ধ্বংস করার মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের কার্যকরী উপায় হিসেবে উল্লেখ করেন।
এদিকে, হাম রোগে মৃত্যু এ বছরের মে মাসে সর্বাধিক ছিল। ২৯ মে'তে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। প্রায় ৪ মাস পর আবারও ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গ নিয়ে প্রাণ গেছে ১১ জনের এবং আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ২শ ৭০ জনের। মোট প্রাণহানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৭৬ জনে।