মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞায় ‘তৎকালীন জামায়াত’ শব্দ যুক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। শুক্রবার রাজধানীতে একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।
আইনমন্ত্রী বলেন, জামায়াতে ইসলামীর আপত্তির মুখে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ‘আইনে মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞায় বলা হয়েছে- যারা ১৯৭১ সালের পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী, তৎকালীন আল বদর, তৎকালীন রাজাকার, তৎকালীন মুসলিম লীগ, তৎকালীন জামায়াতে ইসলামী; এই তৎকালীন শব্দটা আগে ছিল না। আমরা আমাদের সংশোধনী এনেছি তাদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে।’
জামায়াতে ইসলামীর জাতীয় সংসদে মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞা সংশোধন আইনের প্রস্তাবে ‘না’ ভোট না দেওয়ার মাধ্যমে একাত্তরে তাদের ভূমিকা পরোক্ষভাবে স্বীকার করেছে বলেও মন্তব্য করেন আইনমন্ত্রী।
বইটির মোড়ক উন্মোচনের অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রীসহ বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বইটির তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, বারবার আলোচনা হলেও, একাত্তরের ভূমিকা নিয়ে জামায়াত ক্ষমা চায়নি। এ নিয়ে দলের ভেতরেও বিতর্ক রয়েছে, যা মিমাংসা হওয়া উচিৎ।
এ সময় প্রয়াত আব্দুর রাজ্জাকের পরিবারের সদস্যরা জানান, লেখকের আনুগত্য কোনো প্রতিষ্ঠান নয়, ছিলো নীতি-নৈতিকতার জন্য।