কক্সবাজারে প্রথমবারের মতো বিদেশি জাতের ভেনামি চিংড়ির পোনা উৎপাদন শুরু হয়েছে। সমুদ্রের পাশে গড়ে ওঠা একটি হ্যাচারিতে সফলভাবে উৎপাদনের পর এসব পোনা দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হচ্ছে।
হ্যাচারি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে ভেনামি চিংড়ি চাষে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে হ্যাচারি পরিচালিত হচ্ছে।
ল্যাব টেকনিশিয়ান মোহাম্মদ সালাম বলেন, “থাইল্যান্ড থেকে আনা পুরুষ ও স্ত্রী ভেনামি চিংড়ি দিয়ে প্রজনন প্রক্রিয়া শুরু হয়।” তিনি জানান, অক্সিজেনসমৃদ্ধ ট্যাংকে পোনা উৎপাদনের কাজ চলছে।
কক্সবাজার নিরিবিলি ফিশারিজের পরিচালক সাইফ রহমান বলেন, “বাগদা বা গলদা চিংড়ি পোনা উৎপাদনে যেখানে অধিক মৃত্যুর ঝুঁকি রয়েছে, সেখানে ভেনামি পোনার মৃত্যুর ঝুঁকি কম।”
কক্সবাজার জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. নাজমুল হুদা বলেন, “বিশ্বের পুরো চিংড়ির বাজার এখন ভেনামির দখলে। বাণিজ্যিকভাবে ভেনামি চিংড়ি উৎপাদন চিংড়ি সম্পদ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।”
তিনি আরও জানান, উৎপাদন খরচ কম, উচ্চ ফলনশীল, সস্তা ও সহজলভ্য হওয়ার কারণে ভেনামি চিংড়ির চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশে এই চিংড়ির পোনা উৎপাদনের অনুমতি আছে দুটি প্রতিষ্ঠানের। ২০২৪ সাল থেকে তারা সাতক্ষীরা, বাগেরহাটসহ বিভিন্ন এলাকার পাঁচ শতাধিক খামার ও ঘেরে সরবরাহ করবে পোনা।