যুক্তরাষ্ট্র কানাডার প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে। বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর শনিবার (২২ আগস্ট) এই নতুন শুল্ক কার্যকর হয়।
ওয়াশিংটনে দুই দেশের কর্মকর্তাদের মধ্যে তিন দিন ধরে আলোচনা চললেও কোনো চুক্তি হয়নি। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কের জবাবে কানাডা 'ডলার ফর ডলার' হারে পাল্টা শুল্ক দেবে।
কার্নি বলেন, "যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভালো একটি বাণিজ্য চুক্তির জন্য কানাডা অনেকটা এগিয়েছিল, তবে কানাডার স্বার্থ রক্ষার জন্য সেই অগ্রগতি যথেষ্ট হয়নি।" তিনি আরও জানান, ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের সহায়তায় নতুন ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অন্যদিকে, মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার আলোচনা ব্যর্থতার জন্য কানাডাকে দায়ী করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, কানাডা পূর্বে যেসব শর্তে রাজি হয়েছিল, পরে সেগুলো থেকে সরে গেছে।
নতুন শুল্ক কানাডার যুক্তরাষ্ট্রে রফতানির প্রায় ৫ শতাংশ পণ্যে প্রভাব ফেলবে, যার মধ্যে রয়েছে ইলেকট্রনিকস, শিল্পযন্ত্র ও দুগ্ধজাত পণ্য। তবে কানাডার ইস্পাত, কাঠ ও গাড়ির ওপর আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক রয়েছে।
এর আগে, ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ শুরুর পর কানাডার বিভিন্ন পণ্যে শুল্ক আরোপ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। জবাবে কানাডা পাল্টা শুল্ক দিয়েছিল। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য নিয়ে উত্তেজনা চলমান রয়েছে। শুক্রবার (২১ আগস্ট) সাংবাদিকদের ট্রাম্প আশা প্রকাশ করেছিলেন যে, কানাডার সঙ্গে একটি চুক্তি হতে পারে, তবে শেষ পর্যন্ত সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি।