বেলজিয়ামের পূর্ব ফ্ল্যান্ডার্সের একটি বাড়িতে সংস্কার কাজের সময় দেয়ালের ভেতরে সিলগালা অবস্থায় উদ্ধার হয়েছে বিশাল একটি সোনার স্তূপ। এই সোনার আনুমানিক বাজার মূল্য ৯০ লাখ ইউরো, যা প্রায় ১২০ কোটি টাকার সমান।
নির্মাণ শ্রমিকরা পয়োনিষ্কাশন পাইপ বসানোর জন্য ড্রিলিং করার সময় গুপ্তধনের সন্ধান পান। পুলিশ ইতোমধ্যে ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছে এবং উদ্ধার হওয়া সব সোনা ও মুদ্রা নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
শ্রমিকদের একজন জানান, “আমাদের প্রথম প্রতিক্রিয়া ছিল অবিশ্বাস্য ও বিস্ময়কর। প্রথমে ভেবেছিলাম এগুলো হয়তো ১ ইউরোর কয়েন, কিন্তু পরে বুঝতে পারি সেখানে স্বর্ণখণ্ডও রয়েছে।”
নির্মাণস্থলের ম্যানেজার মারিও বলেন, “সেখানে এত সোনা ও মুদ্রা ছিল যে তা নিজের কাছে লুকিয়ে রাখা অসম্ভব।”
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভবনটির মালিক সিএডব্লিউ ওস্ট-ভ্ল্যান্ডারেন নামের একটি কল্যাণমূলক সংস্থা। সংস্থাটির পরিচালক গিয়ার্ট হিল্য়ার্ট আশা করেন, এই ধনসম্পদ দাতব্য কাজে ব্যবহৃত হবে।
বেলজিয়ামের আইন অনুযায়ী, গুপ্তধনের আসল মালিক দাবি করার জন্য পাঁচ বছর সময় পাবেন। যদি নির্দিষ্ট মেয়াদের মধ্যে কেউ মালিকানা দাবি না করেন, তবে এই সম্পদ শ্রমিক এবং জায়গার মালিকপক্ষের মধ্যে সমান ভাগে ভাগ হবে। তবে উদ্ধারকৃত সোনা কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকা যাবে না।
এখন চ্যারিটি সংস্থা এবং শ্রমিকদের জন্য মূল মালিকের সন্ধানে পাঁচ বছরের অপেক্ষা ছাড়া আর কোনো পথ নেই।