গত সপ্তাহে সৌদি আরব ও তুরস্কের সাথে ত্রিপক্ষীয় সামরিক চুক্তি স্বাক্ষরের পর পাকিস্তান আবারও ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মাঝে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসলামাবাদ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে আলোচনার টেবিলে আনতে এবং শান্তি প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করার যেকোনো প্রচেষ্টা ঠেকাতে কাজ করছে।
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে চলমান উত্তেজনার মাঝে যুদ্ধের স্থায়ী অবসান ও দীর্ঘমেয়াদী শান্তি স্থাপনে আলোচনা চলছে। পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নাকভি সম্প্রতি তেহরান সফর করেছেন, যেখানে তিনি ইরানি শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক পথ তৈরি করার বিষয়ে আলোচনা করেছেন।
এছাড়া, হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে তৈরি হওয়া অচলাবস্থা নিরসনে পাকিস্তান উদ্যোগ গ্রহণ করছে। উল্লেখযোগ্য যে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত ৬০ দিনের সমঝোতা স্মারকের সময়সীমা আগামী রোববার (১৬ আগস্ট) শেষ হবে। এর আগে দুই পক্ষকে আলোচনায় বসাতে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করেছে পাকিস্তান।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয়ই আবারও দাবি করেছে যে, তারা হরমুজ প্রণালি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছে। ট্রাম্প ক্ষমতা ছাড়ার আগে ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানি বিপ্লবী গার্ডের উপদেষ্টা মোহাম্মদ রেজা নাকদি।