ওয়াশিংটন থেকে আসা হুমকির মধ্যে ইরান একটি নতুন সামরিক পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। তেহরান ছয়জন অভিজ্ঞ সামরিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে বসিয়েছে, যা ইরানের সামরিক কাঠামোর জন্য একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছে।
নতুন নেতৃত্বকে শুধুমাত্র প্রতিরক্ষার জন্য নয়, বরং শত্রুর বিরুদ্ধে শক্তিশালী আক্রমণাত্মক অভিযানের প্রস্তুতির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতাবা খামেনি নেতৃত্বের পরিবর্তন ঘটিয়ে সামরিক কাঠামোকে আরও আগ্রাসী করার লক্ষ্যে কাজ করছেন।
সাম্প্রতিক সংঘাতে ইরানের সামরিক নেতৃত্বে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির পর, তেহরান কীভাবে নেতৃত্বের শূন্যতা পূরণ করবে, সেটি ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। খামেনি নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। সশস্ত্র বাহিনী, আইআরজিসি, এবং নৌবাহিনীর অভিজ্ঞ সামরিক কর্মকর্তারা নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন।
ইরানের কট্টরপন্থী মহল এই পরিবর্তনকে নিছক প্রশাসনিক রদবদল হিসেবে দেখছে না। তাদের মতে, এটি সামরিক বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় বাড়িয়ে ইরানের যুদ্ধক্ষমতা আরও কার্যকর করবে। নতুন আইআরজিসি প্রধান আহমাদ ভাহিদিকে দেওয়া নির্দেশনায় “শক্তিশালী আক্রমণাত্মক অভিযান” প্রস্তুতির কথা বলা হয়েছে, যা ইরানের কট্টরপন্থীদের মধ্যে আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফ এবং যুদ্ধকালীন কমান্ড কাঠামোর মধ্যে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় ঘটানোর উদ্দেশ্যে তেহরান দ্রুত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের দিকে নজর দিচ্ছে। যুদ্ধের সময় সিদ্ধান্তগুলো যেন দ্রুত মাঠপর্যায়ের কমান্ডারদের কাছে পৌঁছায়, সেই ব্যবস্থাই শক্তিশালী করার চেষ্টা চলছে।
ট্রাম্প মনে করতে পারেন যে, সামরিক নেতৃত্বের ক্ষতির পর ইরান দুর্বল হয়েছে, কিন্তু তেহরানের নতুন পদক্ষেপ তার বিপরীত বার্তাই দিচ্ছে। ইরানের পরবর্তী পদক্ষেপের মাধ্যমে বোঝা যাবে, নতুন কমান্ড কাঠামো কিভাবে তাদের প্রতিরক্ষা এবং আক্রমণাত্মক ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করবে।