জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য সংসদ এবং রাজপথ উভয় জায়গায় সক্রিয় রয়েছে। তাদের মূল দাবি হলো জুলাই সনদ ও গণভোটের গণরায়ের বাস্তবায়ন।
ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন থেকেই এই জোট সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনসহ জুলাই সনদ বাস্তবায়নে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছে। বিভাগীয় সমাবেশ শেষে আগামী সেপ্টেম্বর থেকে বিভাগভিত্তিক লংমার্চের ঘোষণা দিয়েছে তারা।
এছাড়া, নভেম্বরে রাজধানীতে একটি মহাসমাবেশের পরিকল্পনাও রয়েছে। সংসদে সরকারি দলের প্রস্তাবিত সংবিধান সংশোধন কমিটি বিরোধীদের দ্বারা প্রত্যাখ্যাত হয়েছে।
জোটের শীর্ষ নেতারা জানান, গণরায় বাস্তবায়নে তারা সোচ্চার থাকবে। জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, সাতটি বিভাগে বিপুল মানুষের অংশগ্রহণ লক্ষ করা গেছে।
তিনি আরও বলেন, ঢাকায় জাতীয় সমাবেশের চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে এবং ধারাবাহিক আন্দোলনের পথে এগিয়ে যাচ্ছে তারা। জামায়াতের নির্বাহী কমিটির সদস্য সাইফুল ইসলাম খান মিলন জানান, সরকার বিষয়টি দেখবে বলে তারা আশা করছেন।
বিরোধীজোটের দাবি, আসন নির্ধারণের জন্য জামায়াতের বেশ কয়েকটি প্রস্তাব কৌশলে গণভোটে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। তাই, গণভোটের বিপুল রায় বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কঠোর অবস্থান ধরে রাখা হবে।
হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, জনগণকে সাথে নিয়ে সরকারকে বার্তা দিতে চান যে, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ছাড়া রাজনৈতিক সংকটের সমাধান হবে না।
সাইফুল ইসলাম খান মিলন জানান, জাতীয় সংসদে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে এবং আন্দোলনে যুক্ত সকলকে মাঠে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিরোধী ঐক্য জানায়, নতুন করে কাউকে স্বৈরাচার বা ফ্যাসিস্ট হতে দেওয়া হবে না। তাই, জুলাই সনদের বাস্তবায়ন জরুরি।