১২ আগস্ট ২০২৬ তারিখে সংসদ ভবনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সাল কামালের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি এবং বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
নির্বাচন কমিশন জানায়, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে প্রকাশ্যে, গোপন ব্যালটে নয়। আইন অনুযায়ী, প্রতিটি সংসদ সদস্য পাবেন মাত্র একটি ভোট। ভোটগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক ব্যালট পেপার তৈরি করবে নির্বাচন কমিশন।
প্রতিটি ব্যালট পেপারে দুটি অংশ থাকবে। একটি হলো কাউন্টার ফয়েল, যেখানে ভোটারের নাম ও বিভক্তি সংখ্যা ছাপানো থাকবে। দ্বিতীয়টি হলো আউটার ফয়েল, যেখানে রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থীদের নাম আদ্যাক্ষর অনুযায়ী ছাপানো থাকবে।
ভোট দিতে হলে সংসদ সদস্য প্রথমে কাউন্টার ফয়েলে স্বাক্ষর করে ব্যালট পেপার সংগ্রহ করবেন। এরপর আউটার ফয়েলে যে প্রার্থীকে ভোট দিতে চান, তার নামের পাশে স্বাক্ষর করে ভোট দেবেন। ভোট দেওয়ার পর ব্যালট পেপারটি সংরক্ষিত ব্যালট বাক্সে রাখতে হবে।
গোপন ব্যালটের মতো এখানে 'টিক চিহ্ন' বা 'সিল' দেওয়া হয় না। ভোটার তার পছন্দের প্রার্থীর নামের পাশে স্বাক্ষর করেই ভোট প্রদান করেন, ফলে ভোটটি প্রকাশ্য হয়ে যায়। আইন অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুসারে প্রতিটি সংসদ সদস্যকে যে নির্দিষ্ট সংখ্যা বরাদ্দ করা হয়, সেটিই বিভক্তি সংখ্যা।