কলম্বিয়ার পশ্চিমাঞ্চল ও পার্শ্ববর্তী ইকুয়েডরে ৭.৪ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ২০ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এ ভূমিকম্পটি দেশটির পর্যটন সমৃদ্ধ অঞ্চলসহ বিভিন্ন শহরে বহুতল ভবন ধসে পড়ার ফলে এ প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।
মার্কিন ভূগর্ভস্থ জরিপ সংস্থা ও কলম্বিয়ার জিওলজিক্যাল সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, সোমবারের ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল রাজধানী বোগোতা থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত চোকো প্রদেশের সান হোসে দেল পালমারের কাছে। ভূমিকম্পটি ভূগর্ভের প্রায় ১০৭ কিলোমিটার গভীরে সংঘটিত হয়।
মার্কিন সুনামি সতর্কীকরণ কেন্দ্র নিশ্চিত করেছে যে, এ ভূমিকম্পের কারণে কোনো সুনামির ঝুঁকি নেই। স্থানীয় প্রশাসন ও আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থাগুলোর বরাত দিয়ে জানা যায়, পেইরা শহরে অন্তত ১৮ জন এবং মানিজালেস শহরে ২ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হয়েছে।
চোকো প্রদেশের গভর্নর নুবিয়া ক্যারোলিনা কর্ডোবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, সান হোসে দেল পালমারের কেন্দ্রস্থলে ভূমিকম্পের কারণে কিবদো শহরের একাধিক ভবনে মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে এবং বহু মানুষ আহত হয়েছেন। তিনি সম্ভাব্য আফটারশক নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।
রাজধানী বোগোতাতেও ভূমিকম্পের তীব্রতা অনুভূত হয় এবং ভবনের অ্যালার্ম বেজে উঠলে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন। তবে বোগোতার মেয়র কার্লোস গালান জানান, রাজধানীতে বড় ধরনের অবকাঠামোগত ক্ষতি বা প্রাণহানি ঘটেনি এবং আক্রান্ত শহরগুলোতে জরুরি উদ্ধার টিম পাঠানো হচ্ছে।
এটি উল্লেখযোগ্য যে, গত জুনের শেষের দিকে প্রতিবেশী ভেনিজুয়েলায় ৭.২ ও ৭.৫ মাত্রার জোড়া ভূমিকম্পে ৬,০০০ এরও বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিল।