মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনা দেখা দিয়েছে, যেখানে ইরানের টার্গেট লিস্টে সৌদি আরবের নাম উঠে এসেছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরব যৌথভাবে ইরাকের পূর্বাঞ্চলে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীর একাধিক স্থানে বিমান হামলা চালিয়েছে।
সেন্টকমের দাবি, গত ৭২ ঘণ্টায় ৩০টিরও বেশি ড্রোন হামলার চেষ্টা হয়েছিল, যা মার্কিন সেনা এবং সৌদির জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর লক্ষ্য করে। এ হামলার নির্দেশ allegedly ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) থেকে এসেছে।
সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরাকের ভূখণ্ড থেকে সৌদির তেল স্থাপনা লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার পর এই যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। তাদের ভাষায়, এটি আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগের অংশ।
এদিকে, স্থানীয় প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার লক্ষ্য ছিল ইরাকের পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস (পিএমএফ) এর ঘাঁটি। হামলার পর বসরাসহ একাধিক এলাকায় বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।
সেন্টকম জানিয়েছে, ইরান অঞ্চলজুড়ে মার্কিন বাহিনীর দিকে একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে, তবে সব ক্ষেপণাস্ত্রই প্রতিহত করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে পুরো অঞ্চলে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি রয়েছে।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, সৌদি আরব কি এবার সরাসরি ইরানের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হলো? অথবা এই যৌথ হামলা দিয়ে ওয়াশিংটন বার্তা দিল যে, মিত্রদের ওপর হামলার জবাব একসঙ্গে দেওয়া হবে? মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এখন আরও জটিল হয়ে উঠেছে।