বিশ্বকাপ ফুটবল প্রতি চার বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয়, যা ফুটবল প্রেমীদের জন্য এক বিশেষ সময়। এবারের ৪৮ দলের টুর্নামেন্টে ১০৪ ম্যাচের মধ্যে ১০০টি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। তবে, মাঠের উত্তেজনার পাশাপাশি কিছু বিতর্কও উত্থাপিত হয়েছে।
প্রথম বিতর্কটি হলো রেফারিকে ভিসা না দেওয়া। সোমালিয়ার ওমর আব্দুল কাদির আরতান, যিনি ২০২৫ সালের আফ্রিকান ফুটবল কনফেডারেশনের বর্ষসেরা রেফারি নির্বাচিত হয়েছিলেন, বৈধ ভিসা থাকা সত্ত্বেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারেননি। এ বিষয়ে ফিফা কোনো সমর্থন জানায়নি, যা ফুটবল বিশ্বে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি করেছে।
দ্বিতীয় বিতর্কটি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ। আমেরিকার স্ট্রাইকার ফোলারিন বালোগান, যিনি একটি ম্যাচে লাল কার্ড পান, তার নিষেধাজ্ঞা ট্রাম্পের হস্তক্ষেপে স্থগিত হয়। উয়েফা এবং বেলজিয়াম ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন এই ঘটনাকে ‘রেড লাইন ক্রস’ হিসেবে অভিহিত করেছে।
তৃতীয় বিতর্কটি আর্জেন্টিনা ও মিশরের ম্যাচে ভিএআর প্রযুক্তির ব্যবহার। মিশরের তৃতীয় গোল বাতিল হওয়ার পর আর্জেন্টিনা ম্যাচটি জিতে যায়, যা নিয়ে মিশরের কোচ এবং অধিনায়ক পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তোলেন।
চতুর্থ বিতর্ক টিকিটের exorbitant দাম নিয়ে। নিউ জার্সির ফাইনাল ম্যাচের ক্যাটাগরি ২-এর টিকিটের দাম প্রায় ৭,৩৮০ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৯ লাখ টাকার ওপরে। ফ্যান গ্রুপগুলো এই অতিরিক্ত দামের বিরুদ্ধে মামলা করেছে।
পঞ্চম বিতর্ক হলো ‘হাইড্রেশন ব্রেক’-এর নিয়ম। ফিফা প্রতি অর্ধে ৩ মিনিটের বাধ্যতামূলক বিরতি ঘোষণা করেছে, যা অনেক বিশেষজ্ঞের মতে বিজ্ঞাপনের জন্য একটি কৌশল।
এই বিতর্কগুলো ফুটবল ভক্তদের জন্য এক নতুন অভিজ্ঞতা তৈরি করেছে। মাঠের বাইরের এসব ঘটনা নিয়ে আলোচনা চলবে বলেই মনে হচ্ছে।