আজ (রোববার) দিবাগত রাত ২টায় নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর একটি হাই-ভোল্টেজ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে বিশ্ব ফুটবলের পরাশক্তি ব্রাজিল এবং ইউরোপের অন্যতম সেরা দল নরওয়ে।
ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলত্তির সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হল আরলিং হলান্ডকে থামানো। হলান্ড, যিনি 'দ্য সাইবর্গ' নামে পরিচিত, তার অসাধারণ উচ্চতা এবং গোল করার ক্ষমতা দিয়ে প্রতিপক্ষের জন্য আতঙ্কের কারণ। তিনি ইতোমধ্যে বিশ্বকাপে তিন ম্যাচে পাঁচ গোল করেছেন, যা তাকে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে রেখেছে।
ব্রাজিল গ্রুপ পর্বে পজেশন-ভিত্তিক ফুটবল খেলেছে এবং মরক্কোর সাথে ১-১ ড্র করার পর হাইতি এবং স্কটল্যান্ডকে ৩-০ গোলে পরাজিত করে নকআউট পর্বে প্রবেশ করে। জাপানের বিপক্ষে ২-১ গোলের নাটকীয় জয়ে তারা শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করে।
অন্যদিকে, নরওয়ে তাদের প্রথম দুই ম্যাচে ইরাক ও সেনেগালকে পরাজিত করে নকআউট পর্বে প্রবেশ করে। তবে শেষ ম্যাচে তারা ফ্রান্সের কাছে ৪-১ গোলে হারলেও আইভরি কোস্টের বিপক্ষে আরলিং হলান্ডের গোলের মাধ্যমে নকআউট রাউন্ডে জয় পায়।
নরওয়ের খেলার স্টাইল হলো দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাক। তাদের অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ডের পাসিং নরওয়ের কাউন্টার অ্যাটাকের প্রাণ। ব্রাজিলের ডিফেন্সে মনোযোগের ঘাটতি হলেই হলান্ড ম্যাচ শেষ করে দিতে পারেন।
আনচেলত্তির পরিকল্পনা হলো, নরওয়ে কাউন্টার অ্যাটাক শুরু করলে ব্রাজিলের মিডফিল্ড যেন ওডেগার্ডের পাসিং লেনগুলো ব্লক করে দেয়। পাকেতার অনুপস্থিতিতে দানিলো সান্তোস বা গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লিকে মাঠে নামানোর সম্ভাবনা রয়েছে।
ব্রাজিলের শক্তি হলো তাদের উইং অ্যাটাক, বিশেষ করে ভিনিসিয়াস জুনিয়রের গতি ও ড্রিবলিং। এবারের আসরে তিনি ৪ গোল ও ১ অ্যাসিস্ট নিয়ে ব্রাজিলের আক্রমণের মূল ইঞ্জিন হয়ে উঠেছেন।
নেইমার খেলবেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। এই ম্যাচের ফলাফল নির্ধারণে নেইমারের উপস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।