মার্কিন প্রেসিডেন্টের ঘোষণার পরেও আজ মঙ্গলবার কাতারে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠক নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার কোনো পরিকল্পনা নেই।
তবে, জব্দকৃত অর্থ ছাড়ের বিষয়ে আলোচনা করতে তেহরান দোহায় একটি প্রতিনিধিদল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এদিকে, হরমুজ প্রণালিতে মাইন অপসারণের জন্য ফ্রান্সের পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পাল্টাপাল্টি হামলার পর ইরানের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে মন্তব্য করেছেন। তিনি জানান, তেহরানের অনুরোধে এ বৈঠকের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং এটি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
ট্রাম্প বলেন, ‘ইরানে আমরা সামরিকভাবে জিতেছি। বিষয়টি খুবই সহজ, তা হলো তেহরানের পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ।’ তিনি আরও দাবি করেন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র রাখবে না এবং তারা এতে রাজি হয়েছে।
অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো পর্যায়েই বৈঠকের পরিকল্পনা নেই। এর ফলে দোহায় বৈঠক নিয়ে অনিশ্চয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে।
ইরানের প্রেসিডেন্ট যুক্তরাষ্ট্রের হামলার হুমকিকে অযৌক্তিক ও ভিত্তিহীন আখ্যা দিয়ে এর তীব্র নিন্দা করেছেন। তিনি জানান, ওয়াশিংটন সমঝোতা স্মারকটি মেনে চললেই তেহরান তার বাধ্যবাধকতা পূরণ করবে।
হরমুজ প্রণালিতে মাইন অপসারণে ওমান ও ফ্রান্সের পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করার পাশাপাশি ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজিম গরিবাবাদি প্যারিসকে উসকানি দেওয়ার বিরুদ্ধে সতর্ক করেছেন।