ইরান গত রবিবার কুয়েত ও বাহরাইনে হামলা চালিয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পাঁচটি ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে আক্রমণের পর এই ঘটনা ঘটেছে। এই হামলার ফলে দুই পক্ষের মধ্যে fragile ceasefire agreement হুমকির মুখে পড়েছে। ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস (IRGC) হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
IRGC জানায়, তারা কুয়েতের আলি আল সালেম বিমান ঘাঁটি এবং বাহরাইনের পোর্ট সালমানের মার্কিন নৌবাহিনীর Fifth Naval Fleet-এ ব্যালিস্টিক মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। বাহরাইন এই হামলাকে তার সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন হিসেবে নিন্দা জানায় এবং বলেছে যে এটি অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ও উত্তেজনা কমানোর সুযোগকে ক্ষুণ্ন করেছে।
কুয়েতও ইরানের এই হামলাকে "প্রতিনিয়ত নিকৃষ্ট আক্রমণ" হিসেবে অভিহিত করেছে এবং এটি কুয়েতের সার্বভৌমত্বের "স্পষ্ট লঙ্ঘন" বলে উল্লেখ করেছে।
মার্কিন সেনাবাহিনী শনিবার ইরানের সিরিক, বান্দার-ই লেঙ্গেহ এবং কেশম দ্বীপে হামলা চালিয়েছে, যা ইরানের একটি ড্রোন হামলার প্রতিক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ড (CENTCOM) জানিয়েছে, তারা হরমুজ প্রণালীর কাছে একাধিক স্থানে ১০টি ইরানি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আক্রমণ করেছে।
ইরান জানিয়েছে, প্রণালীতে যাতায়াতকারী জাহাজগুলোকে শুধুমাত্র নির্ধারিত রুট ব্যবহার করতে হবে এবং অন্য কোনো রুট ব্যবহার করলে তা ceasefire agreement লঙ্ঘন হবে। আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশন বৃহস্পতিবার stranded জাহাজগুলোকে উদ্ধার করার পরিকল্পনা স্থগিত করেছে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মার্কিন আক্রমণকে "নিষ্ঠুর হামলা" হিসেবে অভিহিত করেছে এবং বলেছে যে এটি জাতিসংঘের চুক্তি লঙ্ঘন করেছে। তারা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করার অঙ্গীকার করেছে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, যদি কোনো আবাসিক এলাকায় আক্রমণ হয় বা মার্কিন সেনা নিহত হয়, তাহলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।