২০২৬ উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপে গ্রুপ ‘ই’-এর পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ মোড় নিয়েছে। কিউরাসাওয়ের সঙ্গে গোলশূন্য ড্রয়ের ফলে ইকুয়েডর নকআউটের টিকিট নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে, আর জার্মানি চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হিসেবে এক ম্যাচ হাতে রেখেই গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
জার্মানির কোচ জুলিয়ান নাগেলসম্যানের শিষ্যরা ইউরোপের প্রথম দল হিসেবে সরাসরি ‘রাউন্ড অব ৩২’-এ প্রবেশ করেছে। শুক্রবার (২৬ জুন) তাদের প্রতিপক্ষ ইকুয়েডর, যাদের জন্য এটি টুর্নামেন্টে টিকে থাকার শেষ সুযোগ।
জার্মানির জন্য ম্যাচটি নিয়মরক্ষার হলেও, ইকুয়েডরের জন্য এটি বাঁচা-মরার লড়াই। নকআউটের আশা বাঁচিয়ে রাখতে ইকুয়েডরকে অন্তত ২ গোলের ব্যবধানে জিততে হবে, যা বর্তমান ফর্ম অনুযায়ী কঠিন মনে হচ্ছে।
জার্মানির আক্রমণভাগ দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছে। প্রথম ম্যাচে কুরাসাওকে ৭-১ গোলে হারানোর পর, আইভরি কোস্টের বিরুদ্ধে ১-১ সমতায় শেষ হওয়া ম্যাচে ইনজুরি টাইমে ২-১ গোলের নাটকীয় জয় পায় তারা। দুই ম্যাচে ৯ গোল করে কাই হাভার্টজ ও মুসিয়ালা টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।
নাগেলসম্যান শুক্রবারের ম্যাচে কিছুটা রক্ষণাত্মক কৌশলে যেতে পারেন, যেখানে কিংবদন্তি গোলকিপার ম্যানুয়েল নয়্যারের ওপর মূল ফোকাস থাকবে। নয়্যার যদি ইকুয়েডরকে গোলবঞ্চিত করতে পারেন, তাহলে তিনি বিশ্বকাপে তার ৮ম ক্লিন শিট অর্জন করবেন।
অন্যদিকে, ইকুয়েডরের আক্রমণভাগ disappointing ফলাফল দেখিয়েছে। আইভরি কোস্টের কাছে ১-০ গোলে হারার পর, কুরাসাওয়ের বিপক্ষে তারা গোলের সুযোগ তৈরি করেও সফল হয়নি। দলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা এনার ভ্যালেন্সিয়া এখনো দলের জন্য অনুপ্রেরণা হতে পারেননি।