ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন, যার ফলে গত এক দশকে ব্রিটেন সপ্তম প্রধানমন্ত্রী পেতে যাচ্ছে। ব্রেক্সিটের পর দেশটি অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে রয়েছে, যার প্রভাব রাজনৈতিক অস্থিরতার ওপর পড়েছে।
২০১৬ সালের জুনে ডেভিড ক্যামেরনের পদত্যাগের পর ব্রিটেনে রাজনৈতিক পরিবর্তনের সূচনা হয়। ব্রেক্সিটের পক্ষে ৫২ শতাংশ ভোট দিয়ে দেশটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যায়, যার ফলে যুক্তরাজ্য দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক সংকটে পড়ে।
এরপর থেরেসা মে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন, কিন্তু তিনি সংসদে ব্রেক্সিট আইন পাসে ব্যর্থ হন এবং পরবর্তীতে পদত্যাগ করেন। বরিস জনসন তার স্থলাভিষিক্ত হন এবং ব্রেক্সিট চুক্তি সম্পন্ন করেন, তবে একাধিক কেলেঙ্কারির কারণে তাকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়।
লিজ ট্রাসও মাত্র ৪৪ দিন দায়িত্ব পালনের পর পদত্যাগ করেন, যার ফলে ঋষী সুনাক প্রধানমন্ত্রী হন। তিনি সরকারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দেন, কিন্তু ২০২৪ সালের নির্বাচনের আগে লেবার পার্টির সঙ্গে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়েন।
জুন ২০২৬ সালে, প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলির পদত্যাগের ফলে রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বৃদ্ধি পায়। তিনি অভিযোগ করেন, স্টারমার দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছেন।
বর্তমানে, ব্রিটেনের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অত্যন্ত অস্থির, এবং স্টারমারের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।