অস্ট্রেলিয়ায় নিবন্ধিত আন্তর্জাতিক অলাভজনক সংস্থা ভোটগার্ড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড তাদের কার্যক্রমের প্রথম বছর সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। এ উপলক্ষে গত ১৬ জুন সংস্থাটির প্রথম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক ড. মো. আবুল কালাম আজাদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রতিষ্ঠার পর থেকে অর্জিত অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয় এবং ভবিষ্যৎ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ অনুমোদন করা হয়।
ভোটগার্ড ইন্টারন্যাশনাল ২০২৫ সালে অস্ট্রেলিয়ায় নিবন্ধন লাভের পর থেকে শক্তিশালী সাংগঠনিক সুশাসন কাঠামো গড়ে তুলেছে এবং বিশ্বব্যাপী ভোটারদের অধিকার রক্ষায় কাজ করে আসছে। সংস্থাটির দুটি উল্লেখযোগ্য অর্জন হলো ‘নির্বাচনী জালিয়াতিকে রাষ্ট্রদ্রোহ হিসেবে গণ্য করার বৈশ্বিক মডেল আইন’ চালু করা এবং পিইটিআরআই কর্মসূচির উন্নয়ন।
পিইটিআরআই কর্মসূচি নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সংঘটিত নির্বাচনী জালিয়াতির ঝুঁকি মূল্যায়ন করে। ২০২৬ সালের মার্চে পরীক্ষামূলক প্রকল্প হিসেবে এটি চালু করা হয়, যা ২০২৫ সালে সাব-সাহারান আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকায় অনুষ্ঠিত ২০টি নির্বাহী নির্বাচনের অন্তর্ভুক্ত।
সভায় পিইটিআরআই কর্মসূচির কার্যপরিধি সংস্করণ ১.০ আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করা হয় এবং এর ধারাবাহিক উন্নয়নের প্রতি প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
অস্ট্রেলিয়ার ওয়েস্টার্ন সিডনি ইউনিভার্সিটির অনুমোদন লাভের ফলে সংস্থাটি সেখানে স্বেচ্ছাসেবক ও ইন্টার্নশিপের সুযোগ প্রচার করতে পারবে। এজিএমে সংস্থার আর্থিক বিবরণী অনুমোদন করা হয় এবং পরিচালকদের পুনর্নির্বাচন করা হয়।
ভোটগার্ড ইন্টারন্যাশনাল বর্তমানে ২০ জনেরও বেশি স্বেচ্ছাসেবক নিয়ে কাজ করছে। ভবিষ্যতে সুশাসন ও সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করা, আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব বৃদ্ধি এবং গবেষণা ও বিশ্লেষণ সক্ষমতা উন্নয়নের উপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।
সংস্থার চেয়ারম্যান মো. আতাউর রহমান বলেন, ‘ভোটগার্ড ইন্টারন্যাশনাল সফলভাবে তার প্রতিষ্ঠাকালীন ধাপ সম্পন্ন করেছে এবং এখন কাঠামোবদ্ধ কর্মসূচি উন্নয়নের নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করছে।’
ড. মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘নির্বাচনী জালিয়াতিকে রাষ্ট্রদ্রোহমূলক অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।’ তিনি আরও জানান, বিষয়টি বিশ্বব্যাপী আইনি ও জনপরিসরের আলোচনার দাবি রাখে।