যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সইয়ের পর লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে বাস্তুচ্যুতরা ফিরতে শুরু করেছেন। তবে শান্তির আশা থাকলেও তাদের জীবনে স্বস্তি ফিরেনি।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাগজে-কলমে চুক্তি হলেও বাস্তবে ইসরায়েলের হামলা থামবে কিনা, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। দক্ষিণাঞ্চলের সাইদা শহরের সড়কগুলোতে দীর্ঘ যানজট দেখা গেছে, যেখানে মানুষ আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে ফিরছেন।
বাস্তুচ্যুত লেবানিজ মোহাম্মদ দোগমান বলেন, ‘ইরান আর আমেরিকার বিষয় হয়তো শেষ হয়েছে। কিন্তু লেবাননে এখনো কিছুই শেষ হয়নি। আমরা শুধু শান্তি চাই।’
দক্ষিণাঞ্চলের টায়ার শহরের বাসিন্দাদের অনেকেই বিশ্বাস করতে পারছেন না যে, যুদ্ধ শেষ হয়েছে। কারণ, চুক্তির আওতায় যুদ্ধবিরতির মেয়াদ ৬০ দিন বাড়ানো হলেও, হামলা অব্যাহত রয়েছে। টায়ারের বাসিন্দা আবদেলকরিম আল-দাহি বলেন, ‘ইসরায়েল অতীতেও চুক্তি পুরোপুরি মেনে চলেনি। তাই নতুন এই চুক্তি নিয়েও আমাদের সংশয় আছে।’
যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের ১৪ দফার সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর এবং হিজবুল্লাহ-ইসরায়েলের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার পরও দক্ষিণাঞ্চলের বাসিন্দাদের মাঝে উদ্বেগ রয়ে গেছে। এর আগে যুদ্ধবিরতিতে সম্মতির পরও হামলা অব্যাহত ছিল এবং বাসিন্দাদের এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
ফ্রান্সে ভার্চুয়াল সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর থেকে এবং শুক্রবার আইডিএফ ও হিজবুল্লাহর নতুন কোরে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার আগ পর্যন্ত দক্ষিণাঞ্চলে ১৮ জন নিহত হয়েছেন এবং কমপক্ষে ৩৩ জন আহত হয়েছেন।