মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর থেকে নৌ অবরোধ তুলে নিয়েছে। দুই দেশের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি জানান, তিনি বিষয়টি নিয়ে ভিন্ন মত পোষণ করলেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া চুক্তির অনুমোদন দিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, ট্রাম্প নানা কৌশল ব্যবহার করে চুক্তি সই করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানায়, প্রেসিডেন্টের নির্দেশনা অনুযায়ী অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়েছে।
খামেনি জানান, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান তাকে আশ্বস্ত করার পর চুক্তি স্বাক্ষর করেন। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সরাসরি আলোচনা হবে, তবে এর অর্থ এই নয় যে ইরান শত্রুর অবস্থান মেনে নিচ্ছে।
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স সাংবাদিকদের জানান, চুক্তিটি কার্যকর হয়েছে এবং এর ফলে ৬০ দিনের আলোচনার সময়সীমা শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, ইরান চুক্তির শর্ত পূরণ না করা পর্যন্ত কোনো অর্থ বা নিষেধাজ্ঞা শিথিলকরণ পাবে না।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তিতে ১৪টি মূল বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যার মধ্যে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং ইরান কখনও পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করবে না এমন শর্ত রয়েছে।
চুক্তির আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল, তবে মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তান জানায়, চুক্তিটি ইতোমধ্যেই দূরবর্তী পদ্ধতিতে স্বাক্ষরিত হয়েছে।