লেবাননকে ঘিরে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের একটি গুরুতর সংকটে পরিণত হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান দীর্ঘদিনের কৌশল পরিবর্তন করে তাদের সুরক্ষায় সামরিক শক্তি ব্যবহার করছে।
লেবাননে ইসরায়েলি হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরান ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে, যা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সংযমের আহ্বান উপেক্ষা করে ইসরায়েলি বাহিনী ইরানের তিনটি শহরে পালটা হামলা চালায়।
উভয় পক্ষই যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিলেও লঙ্ঘনের জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। ইরান স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে, বৈরুত তাদের জন্য একটি রেড লাইন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরান এখন আঞ্চলিক মিত্রদের স্বার্থ উপেক্ষা করে সরাসরি সামরিক পদক্ষেপ নিচ্ছে। সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল পলিসির গবেষক নেগার মরতা জাভি জানান, ইসরায়েলকে সতর্ক করতে তেহরান আগে থেকেই মার্কিন প্রশাসনের কাছে বার্তা পাঠিয়েছিল।
বর্তমান পরিস্থিতিতে, ট্রাম্পের জন্য কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ বাড়ছে। তিনি ইরানের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছাতে চাইলেও ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপ নিয়ন্ত্রণ করাও তার জন্য জরুরি হয়ে উঠেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সাময়িক যুদ্ধবিরতির সুযোগ থাকলেও স্থায়ী শান্তির সম্ভাবনা আরও জটিল হয়ে পড়েছে। কারণ ইরান, ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ কেউই নিজেদের অবস্থান থেকে সরছে না। চলতি বছরের ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে নিহতের সংখ্যা ৩ হাজার ৬শ ছাড়িয়ে গেছে।