বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬
ব্রেকিং
স্পেনে ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত ৩০, রেলপথের নিরাপত্তা প্রশ্নবিদ্ধ স্পেনে ট্রেন সংঘর্ষে নিহত ৪৬, উদ্ধার কার্যক্রম চলছে ঘূর্ণিঝড় আরনাবের প্রভাবে ভারতের অন্ধ্র প্রদেশে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের তাণ্ডব, সতর্কতা জারি সুদানের ন্যালে ড্রোন হামলায় ২১ নিহত, ৪০ আহত ঘূর্ণিঝড় অর্ণব: অতি প্রবল অবস্থায় পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে লরি চাপায় নিহত ৫, আহত ৪ সাগরে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে ফ্রান্সে জাতিগত হামলায় নিহত ১, আহত ৫, মুসলিমদের বিরুদ্ধে ঘৃণা বাড়ছে জর্ডানে গির্জায় সন্ত্রাসী হামলায় ৭ জন নিহত, ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক
তথ্যপ্রযুক্তি

চীনে বিশ্বের প্রথম উইন্ড-পাওয়ার্ড আন্ডারওয়াটার ডেটা সেন্টার চালু

চীনে চালু হলো বিশ্বের প্রথম উইন্ড-পাওয়ার্ড আন্ডারওয়াটার ডেটা সেন্টার।

চীনে বিশ্বের প্রথম উইন্ড-পাওয়ার্ড আন্ডারওয়াটার ডেটা সেন্টার চালু

বিশ্বের প্রথম উইন্ড-পাওয়ার্ড আন্ডারওয়াটার ডেটা সেন্টার চালু করেছে চীন। এই ডেটা সেন্টারটি সাংহাই উপকূলে স্থাপন করা হয়েছে এবং ৯ জুন তারিখে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়।

হাইক্লাউড টেকনোলজি এবং চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান চায়না কমিউনিকেশনস কনস্ট্রাকশনের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত এই ডেটা সেন্টারটির নাম সাংহাই লিংগাং আন্ডারওয়াটার ডেটা সেন্টার ডেমনস্ট্রেশন প্রকল্প।

এই ডেটা সেন্টারের সক্ষমতা ২৪ মেগাওয়াট, যা সাংহাই উপকূল থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের ১০ মিটার গভীরে স্থাপন করা হয়েছে।

চীনের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, সাধারণ স্থলভিত্তিক ডেটা সেন্টারের তুলনায় এটি ২০ শতাংশেরও বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে সক্ষম। স্থলভিত্তিক ডেটা সেন্টারগুলোতে সার্ভার ২৪ ঘণ্টা চালু থাকায় প্রচণ্ড গরম হয়ে যায়, যার জন্য ঠান্ডা পানি সঞ্চালনের ব্যবস্থা করতে হয়।

এই ডেটা সেন্টারটি সমুদ্রের ঠান্ডা পানি ব্যবহার করে সার্ভার ঠান্ডা রাখতে সক্ষম, ফলে অতিরিক্ত বিদ্যুতের প্রয়োজন হয় না।

বিশ্বব্যাপী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) সার্ভারগুলোর শীতলীকরণে বিপুল পরিমাণ সুপেয় পানির অপচয় হচ্ছে, যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে। জাতিসংঘের পানি, পরিবেশ ও স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সাম্প্রতিক সতর্কবার্তায় জানানো হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে ডেটা সেন্টারের পানির ব্যবহার ৯.৩ ট্রিলিয়ন লিটারে পৌঁছাতে পারে।

সমুদ্রের নোনা পানি ব্যবহারের ফলে এই বিপুল পরিমাণ সুপেয় পানি অপচয়ের হাত থেকে বাঁচার সুযোগ তৈরি হবে।

বিজ্ঞাপন