পেরুর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দ্বিতীয় রাউন্ডে ভোটাররা ৭ জুন ভোট দিতে যাচ্ছেন। প্রথম রাউন্ডের ভোটে দীর্ঘ লাইন, ফলাফল বিলম্ব এবং জালিয়াতির অভিযোগের মধ্যে দিয়ে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছিল।
প্রথম রাউন্ডে, ১২ এপ্রিল, ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে কেকো ফুজিমোরি ১৭ শতাংশ ভোট পেয়ে নেতৃত্বে ছিলেন। তিনি পেরুর সাবেক প্রেসিডেন্ট আলবার্তো ফুজিমোরির কন্যা এবং দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ একটি নাম।
অন্যদিকে, বামপন্থী প্রার্থী রবার্তো সানচেজ দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন, ১২ শতাংশ ভোট নিয়ে। তবে তার পথ ছিল বিপর্যস্ত, কারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে যে তিনি প্রচারমূলক অর্থের তথ্য জালিয়াতি করেছেন, যা তিনি অস্বীকার করেছেন।
নির্বাচন কমিশন জানায়, ২,৫০৬টি ভোটকেন্দ্র ৬৩টি দেশে প্রস্তুত থাকবে। প্রথম রাউন্ডে বিদেশে ৪১১,০৭৭ পেরুভিয়ান ভোট দিয়েছেন।
প্রথম রাউন্ডের ভোটগ্রহণে নানা সমস্যা দেখা দেয়। অনেক ভোটকেন্দ্রে ব্যালট সময়মত পৌঁছায়নি এবং কিছু কেন্দ্র কয়েক ঘণ্টা পরে খোলা হয়। ফলে প্রায় ৫২,০০০ ভোটার ভোট দিতে পারেননি।
ফুজিমোরি এবং সানচেজের মধ্যে দ্বিতীয় রাউন্ডের ভোটে অংশগ্রহণকারী ভোটারদের সংখ্যা এবং তাদের মনোভাব নির্বাচনের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। প্রথম রাউন্ডে ৭.১৬ মিলিয়ন ভোটার ভোট দেননি, যা পরবর্তী রাউন্ডের ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে।