সোমবার, ০১ জুন, ২০২৬
ব্রেকিং
অপরাধ

মুন্সিগঞ্জে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যা: চারজন গ্রেপ্তার

মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর তরুণীকে হত্যার ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পিবিআই।

মুন্সিগঞ্জে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যা: চারজন গ্রেপ্তার

মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। পুলিশ দাবি করেছে, ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রহস্য উদঘাটন করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে আবু কালাম (৪৮), জামাল হোসেন (৪৪), আলামিন প্রধান (৫০) ও রাসেল মিয়া (৪৪) রয়েছেন। নিহত হালিমা আক্তার (১৯) গজারিয়া উপজেলার হোসেন্দী ইউনিয়নের জামালদী এলাকার বাসিন্দা।

পিবিআই জানায়, গত ২৯ মে গজারিয়ার ফুলদী নদী থেকে এক তরুণীর গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে পিবিআইয়ের ক্রাইমসিন টিম তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্যে মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করে। নিহতের বোন হোসনেয়ারা আক্তার বাদী হয়ে গজারিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মুন্সিগঞ্জ পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আছমা আরা জাহান জানান, নিহত হালিমার কাছে আবু কালামের ২৫ হাজার এবং রাসেল মিয়ার ১০ হাজার টাকা পাওনা ছিল। এছাড়া আসামি জামাল হোসেনের সঙ্গে হালিমার ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি প্রকাশ পেলে সামাজিকভাবে মানহানি হতে পারে, এমন আশঙ্কা থেকে তাঁরা হালিমাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২৬ মে সন্ধ্যার পর কৌশলে হালিমাকে বড় ভাটেরচর এলাকার নদীর পাড়ে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে নৌকাযোগে নদীর ওপারে একটি ভুট্টাক্ষেতে নিয়ে গিয়ে তাঁকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। এরপর তাঁর পরিধেয় পোশাক গলায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।

গ্রেপ্তার চারজনকে আদালতে সোপর্দ করা হলে তারা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পিবিআই জানিয়েছে, এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

বিজ্ঞাপন