পাকিস্তানের বন্দর নগরী করাচিতে মার্কিন দূতাবাসে হামলার ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯ জনে দাঁড়িয়েছে। ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যার প্রতিবাদে এই হামলা চালানো হয়।
রবিবার (১ মার্চ) পাকিস্তানি গণমাধ্যম জিও নিউজের বরাতে জানা যায়, নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে আরও ১৮ জন আহত হয়েছেন। এমটি খান রোড এলাকা থেকে ছয়টি মরদেহ ও ১০ জন আহত ব্যক্তিকে সিভিল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারের কর্মকর্তারা জানান, সেখানে মোট সাতটি মরদেহ এবং ১৮ জন আহত ব্যক্তিকে আনা হয়েছে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, গুলি, লাঠিচার্জ ও পদদলিত হয়ে এসব হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রবিবার সকালে খামেনির নিহতের খবর আসার পর থেকেই করাচিতে মার্কিন দূতাবাসের সামনে শত শত ইরানপন্থি বিক্ষোভকারী জড়ো হন।
বিক্ষোভকারীরা মার্কিন দূতাবাসে প্রবেশের চেষ্টা করেন এবং কিছু যুবক প্রধান গেট টপকে কনস্যুলেট ভবনের সামনে চলে যান, যেখানে জানালার কাঁচ ভাঙচুর করা হয়। পুলিশ কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাওয়াদ জানান, পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ এবং টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করেছে।